চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বরমা ইউনিয়নের শতাধিক বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিল সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন।
চন্দনাইশে বন্যাদুর্গত শতাধিক পরিবারের মাঝে সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ
- আপডেট সময় : ০৫:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বন্যাদুর্গত ও ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সংগঠন সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির চট্টগ্রাম জেলা কমিটির উদ্যোগে উপজেলার বরমা ইউনিয়নে শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত এই মানবিক কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক, সমাজসেবক ও স্বেচ্ছাসেবীরা উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।
সংগঠনের নেতারা বলেন, দুর্যোগ ও সংকটের সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসাসহায়তা, শিক্ষা সহায়তা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোহাম্মদ কমরুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক অরূপ চন্দ্র, সহ-সভাপতি মো. তৈয়ব চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রতন বড়ুয়া, যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন নীরব, সাংগঠনিক সম্পাদক ওসমান হারুন চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক নাসির হাওলাদার, চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের প্রচার সম্পাদক এস. এম. ওমর ফারুকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, সমাজসেবক ও স্বেচ্ছাসেবীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তারা বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে মানবিক সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।
ত্রাণসামগ্রী পেয়ে উপকারভোগীরা সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের ভাষ্য, এই সহায়তা তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সমাজে মানবিক উদ্যোগকে আরও উৎসাহিত করবে।
আয়োজকরা জানান, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা সহায়তা ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে পরিচালনা করা হবে।


















