চট্টগ্রাম ১০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
নান্দাইলে চন্ডিপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত রাণীশংকৈলে তীর্ণই নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু রংপুরে লাইসেন্স ছাড়া বেকারি পণ্য উৎপাদন, আল মদিনা লাইভ বেকারিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা কচুয়ার ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাংবাদিক আতাউল করিম হাতীবান্ধায় নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুত: দুই ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা নান্দাইলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি নেত্রকোণায় জমি বিরোধে হামলা-হুমকি, নষ্ট করা হলো আমনের চারা শিবচরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি, উঠল ঐক্যের ডাক

ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্যে বদলে যাচ্ছে কুড়িগ্রামের নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষকদের ভাগ্য

কুড়িগ্রামের নাওডাঙ্গায় সবজি চাষে সফল কৃষকরা, লাভের মুখ দেখছে সীমান্তাঞ্চল

মোঃ জাকারিয়া হোসেন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:১৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফুরফুরে মেজাজে ক্ষেত থেকে মরিচ তুলছেন কৃষক। দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা উপজেলা ফুলবাড়ী। শিল্পকারখানা কিংবা শহুরে চাকচিক্য এখানে নেই। কৃষিই এ অঞ্চলের মানুষের প্রধান অবলম্বন। আমন ও বোরো মৌসুমে ধান চাষই ছিল এখানকার কৃষকদের দীর্ঘদিনের চর্চা।
তবে এই চিত্র বদলে দিয়েছেন ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষকরা। প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে তারা ঝুঁকি ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে সবজি চাষে ঝুঁকেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি—সবকিছুর মধ্যেই তারা সফলভাবে চাষ করেছেন মরিচ, বেগুন, বাঁধাকপি, ফুলকপি ও নানা শাকসবজি।
বীজ বপন থেকে শুরু করে ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত প্রতিটি দিনই ছিল সংগ্রামের। কনকনে শীত উপেক্ষা করেও চলতি মৌসুমে তারা সবজি চাষ অব্যাহত রাখেন। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর এবছর স্বপ্নপূরণ হয়েছে এসব সবজি চাষিদের।
মরিচ চাষি জয়নাল আবেদীন জানান, বীজ বপনের পর বৈরী আবহাওয়ার কারণে ক্ষেতে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। ফসল রক্ষায় তাকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। তবে সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে এবছর মরিচের ভালো দাম পাওয়ায় তিনি লাভের মুখ দেখেছেন।
শুধু মরিচ ও বেগুন চাষিরাই নয়, নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রায় সব সবজি চাষির মুখেই এখন হাসি। বাজারে সবজির ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন এবং আগামী মৌসুমে আরও বেশি জমিতে সবজি চাষের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফিরোজ শাহ্ জানান, নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের মাটি সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও সঠিক পরিচর্যার ফলে কৃষকরা এবছর ভালো ফলন পেয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন শাকসবজির আবাদ হয়েছে। ভালো ফলনের পাশাপাশি বাজারে সবজির ভালো দাম থাকায় কৃষকরা আর্থিকভাবে উপকৃত হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্যে বদলে যাচ্ছে কুড়িগ্রামের নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষকদের ভাগ্য

কুড়িগ্রামের নাওডাঙ্গায় সবজি চাষে সফল কৃষকরা, লাভের মুখ দেখছে সীমান্তাঞ্চল

আপডেট সময় : ০৯:১৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ফুরফুরে মেজাজে ক্ষেত থেকে মরিচ তুলছেন কৃষক। দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা উপজেলা ফুলবাড়ী। শিল্পকারখানা কিংবা শহুরে চাকচিক্য এখানে নেই। কৃষিই এ অঞ্চলের মানুষের প্রধান অবলম্বন। আমন ও বোরো মৌসুমে ধান চাষই ছিল এখানকার কৃষকদের দীর্ঘদিনের চর্চা।
তবে এই চিত্র বদলে দিয়েছেন ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষকরা। প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে তারা ঝুঁকি ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে সবজি চাষে ঝুঁকেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি—সবকিছুর মধ্যেই তারা সফলভাবে চাষ করেছেন মরিচ, বেগুন, বাঁধাকপি, ফুলকপি ও নানা শাকসবজি।
বীজ বপন থেকে শুরু করে ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত প্রতিটি দিনই ছিল সংগ্রামের। কনকনে শীত উপেক্ষা করেও চলতি মৌসুমে তারা সবজি চাষ অব্যাহত রাখেন। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর এবছর স্বপ্নপূরণ হয়েছে এসব সবজি চাষিদের।
মরিচ চাষি জয়নাল আবেদীন জানান, বীজ বপনের পর বৈরী আবহাওয়ার কারণে ক্ষেতে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। ফসল রক্ষায় তাকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। তবে সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে এবছর মরিচের ভালো দাম পাওয়ায় তিনি লাভের মুখ দেখেছেন।
শুধু মরিচ ও বেগুন চাষিরাই নয়, নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রায় সব সবজি চাষির মুখেই এখন হাসি। বাজারে সবজির ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন এবং আগামী মৌসুমে আরও বেশি জমিতে সবজি চাষের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফিরোজ শাহ্ জানান, নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের মাটি সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও সঠিক পরিচর্যার ফলে কৃষকরা এবছর ভালো ফলন পেয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন শাকসবজির আবাদ হয়েছে। ভালো ফলনের পাশাপাশি বাজারে সবজির ভালো দাম থাকায় কৃষকরা আর্থিকভাবে উপকৃত হয়েছেন।