চট্টগ্রাম ০৫:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানকে জেলা কংগ্রেসের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ পটিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, দুই প্রবাসীর ঘরে লুট: স্বর্ণ-নগদ টাকা ও সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

লিবিয়ার আল–খুমস উপকূলে দুটি নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু, ২৬ জন ছিলেন প্রথম নৌকায়।

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি:বাংলাদেশিসহ দুই নৌকায় অন্তত চারজনের মৃত্যু

সারাদেশ৭১ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫ ৫১ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লিবিয়া উপকূলে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপকূলীয় শহর আল–খুমসের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে সবাই প্রথম নৌকার আরোহী এবং তাঁরা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অভিবাসী।

সংস্থাটির বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রথম নৌকাটিতে মোট ২৬ বাংলাদেশি ছিলেন। এদের মধ্যে চারজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকি যাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় নৌকাটিতে ৬৯ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং বেশ কয়েকজন সুদানি নাগরিক ছিলেন। তাঁদের সঠিক অবস্থা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। ওই নৌকায় আটটি শিশুও ছিল বলে জানায় রেড ক্রিসেন্ট।

লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের স্বেচ্ছাসেবকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং প্লাস্টিক ব্যাগে মোড়ানো মরদেহগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজে লিবিয়া উপকূলরক্ষী বাহিনী ও আল–খুমস পোর্ট সিকিউরিটি এজেন্সি অংশ নেয়।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপমুখী অভিবাসীদের প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়। দারিদ্র্য, সংঘাত ও অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশটির ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে এসব নৌকাডুবির ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সম্প্রতি জানিয়েছে, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে আরেকটি রাবারের নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৪২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হন। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁরা মারা গেছেন। গত অক্টোবরেও ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্য, স্পেন, নরওয়ে ও সিয়েরা লিয়নসহ কয়েকটি দেশ লিবিয়াকে অবৈধ আটককেন্দ্রগুলো বন্ধ করার আহ্বান জানায়, যেখানে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী অভিবাসীদের নির্যাতন, হামলা ও হত্যার শিকার হতে হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লিবিয়ার আল–খুমস উপকূলে দুটি নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু, ২৬ জন ছিলেন প্রথম নৌকায়।

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি:বাংলাদেশিসহ দুই নৌকায় অন্তত চারজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:৪৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

লিবিয়া উপকূলে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপকূলীয় শহর আল–খুমসের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে সবাই প্রথম নৌকার আরোহী এবং তাঁরা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অভিবাসী।

সংস্থাটির বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রথম নৌকাটিতে মোট ২৬ বাংলাদেশি ছিলেন। এদের মধ্যে চারজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকি যাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় নৌকাটিতে ৬৯ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং বেশ কয়েকজন সুদানি নাগরিক ছিলেন। তাঁদের সঠিক অবস্থা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। ওই নৌকায় আটটি শিশুও ছিল বলে জানায় রেড ক্রিসেন্ট।

লিবীয় রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের স্বেচ্ছাসেবকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং প্লাস্টিক ব্যাগে মোড়ানো মরদেহগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। উদ্ধারকাজে লিবিয়া উপকূলরক্ষী বাহিনী ও আল–খুমস পোর্ট সিকিউরিটি এজেন্সি অংশ নেয়।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া ইউরোপমুখী অভিবাসীদের প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়। দারিদ্র্য, সংঘাত ও অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশটির ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে এসব নৌকাডুবির ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সম্প্রতি জানিয়েছে, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে আরেকটি রাবারের নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৪২ জন অভিবাসী নিখোঁজ হন। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁরা মারা গেছেন। গত অক্টোবরেও ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্য, স্পেন, নরওয়ে ও সিয়েরা লিয়নসহ কয়েকটি দেশ লিবিয়াকে অবৈধ আটককেন্দ্রগুলো বন্ধ করার আহ্বান জানায়, যেখানে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী অভিবাসীদের নির্যাতন, হামলা ও হত্যার শিকার হতে হয়।