চট্টগ্রাম ০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানকে জেলা কংগ্রেসের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ পটিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, দুই প্রবাসীর ঘরে লুট: স্বর্ণ-নগদ টাকা ও সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও অবৈধ আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ; এএসআইয়ের দাবি, অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

মৌলভীবাজারে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ: শেরপুর ফাঁড়ির এএসআই শফিকুলকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম শফিককে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও মাদকের আস্তানা থেকে অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখের একটি আদেশে এএসআই শফিকুল ইসলামকে শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। তবে অভিযোগের বিষয়ে কোনো তদন্ত প্রতিবেদন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ওবায়দুল হাসান নিশ্চিত করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সরকার বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। বিভিন্ন সময় এ বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে স্থানীয় কয়েকজনের দাবি। তাদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হতো।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত ৩১ জুলাই সরকার বাজার এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মজনু মিয়াসহ কয়েকজনকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। খবর পেয়ে মৌলভীবাজার সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক ব্যক্তিদের হেফাজতে নেয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় কয়েকজন পুলিশের উপস্থিতিতেই এএসআই শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা যায়।

তবে এএসআই শফিকুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মুঠোফোনে তিনি বলেন, লন্ডনপ্রবাসী সোহাগের এক ভাইকে পূর্বে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষোভের শিকার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তিনি বলেন, তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

উল্লেখ্য, প্রশাসনিকভাবে কোনো পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ বা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হলে তা নিজেই অপরাধ প্রমাণের সমতুল্য নয়। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও অবৈধ আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ; এএসআইয়ের দাবি, অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

মৌলভীবাজারে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ: শেরপুর ফাঁড়ির এএসআই শফিকুলকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে

আপডেট সময় : ০২:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম শফিককে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও মাদকের আস্তানা থেকে অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখের একটি আদেশে এএসআই শফিকুল ইসলামকে শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। তবে অভিযোগের বিষয়ে কোনো তদন্ত প্রতিবেদন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ওবায়দুল হাসান নিশ্চিত করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সরকার বাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। বিভিন্ন সময় এ বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে স্থানীয় কয়েকজনের দাবি। তাদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হতো।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত ৩১ জুলাই সরকার বাজার এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মজনু মিয়াসহ কয়েকজনকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। খবর পেয়ে মৌলভীবাজার সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক ব্যক্তিদের হেফাজতে নেয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় কয়েকজন পুলিশের উপস্থিতিতেই এএসআই শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা যায়।

তবে এএসআই শফিকুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মুঠোফোনে তিনি বলেন, লন্ডনপ্রবাসী সোহাগের এক ভাইকে পূর্বে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষোভের শিকার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তিনি বলেন, তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

উল্লেখ্য, প্রশাসনিকভাবে কোনো পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ বা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হলে তা নিজেই অপরাধ প্রমাণের সমতুল্য নয়। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।