বোয়ালখালীতে রেললাইনের পাশে পার্কিং করা সিএনজি টেম্পুর সঙ্গে ধাক্কা; একটি দরজা খুলে পড়ে যায়, পটিয়ায় ১৫ মিনিট থেমে মেরামত
সিএনজির ধাক্কায় কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেসের দুই দরজা ভাঙচুর, আহত ২
- আপডেট সময় : ০৬:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

পটিয়া, চট্টগ্রাম | ২৪ আগস্ট ২০২৬ :
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে রেললাইনের পাশে পার্কিং করে রাখা একটি সিএনজি টেম্পুর ধাক্কায় ট্রেনের দুটি দরজা ভাঙচুর হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রেনের দুই যাত্রী হাতে আঘাত পেয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া পর্যটক এক্সপ্রেসের ৮১৬ নম্বর ট্রেনটি বোয়ালখালী উপজেলা অতিক্রম করার সময় খাজা মার্কেট ও পালকি ক্লাবের সামনে রেললাইনের পাশে পার্কিং করে রাখা একটি সিএনজি টেম্পুর সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ট্রেনের দুটি বগির দরজা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে একটি দরজা খুলে রেললাইনের পাশে পড়ে যায়।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর খুলে পড়া দরজাটি বোয়ালখালী থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
বোয়ালখালী রেলস্টেশন মাস্টার কাঞ্চন ভট্টাচার্য বলেন, ২৪ আগস্ট কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেসের সঙ্গে খাজা মার্কেট ও পালকি ক্লাবের সামনে পার্কিং করে রাখা সিএনজি টেম্পুর ধাক্কা লাগে। এতে ট্রেনের দুটি দরজা ভেঙে যায় এবং একটি দরজা খুলে নিচে পড়ে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, সিএনজি টেম্পুর ভেতরে থাকা দুই যাত্রী হাতে আঘাত পান। পরে তাদের ট্রেন থেকে নেমে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে দেখা যায়।
এদিকে পটিয়া রেলস্টেশন মাস্টার আবদুস সালাম ভূঁইয়া জানান, দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে পর্যটক এক্সপ্রেস পটিয়া রেলস্টেশনে পৌঁছায়। এ সময় পরিচালকের কক্ষের দরজাটি ঝুলন্ত অবস্থায় এবং মাঝের একটি রেকের দরজা ছাড়াই ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করে। দরজা মেরামতের জন্য ট্রেনটি সেখানে প্রায় ১৫ মিনিট অবস্থান করে।
ঘটনার পর পটিয়া ও বোয়ালখালীর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যস্ততম রেললাইনের পাশে কীভাবে সিএনজি টেম্পু পার্কিং করা হয়, সেটি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নজরে আসা উচিত ছিল।
স্থানীয়রা আরও বলেন, এর আগেও রেললাইনে সিএনজি ও মোটরসাইকেলের সঙ্গে ট্রেনের ধাক্কার ঘটনা ঘটেছে। এরপরও রেললাইনের পাশে অবৈধভাবে যানবাহন রাখা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাদের অভিযোগ।
তাদের প্রশ্ন, রেললাইনের পাশে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পার্কিং চলতে থাকলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটবে না—এর নিশ্চয়তা কোথায়?
স্থানীয়দের দাবি, রেললাইনের পাশে অবৈধ পার্কিং বন্ধ, রেলপথের নিরাপত্তা জোরদার এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে কার্যকর নজরদারি বাড়াতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।














