নতুন নেতৃত্ব, কর্মসংস্থান ও মাদকবিরোধী সচেতনতার প্রতিশ্রুতি; তরুণ প্রার্থীকে ঘিরে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ছে আলোচনা
পুরোনোদের চ্যালেঞ্জে ২৭-এর চাঁন, মোহনগঞ্জের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে তরুণ প্রার্থীকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশা
- আপডেট সময় : ০৩:০২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) | ২৪ আগস্ট ২০২৬: কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন ২৭ বছর বয়সী মো. মাহমুদ হাসান চাঁন। পুরোনোদের ভিড়ে নতুন মুখ হিসেবে তাঁর প্রার্থিতা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও জনসেবায় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় জানিয়েছেন তিনি।
ব্যক্তিগত জীবনে হাস্যরসিক, সদালাপী ও মানুষের সঙ্গে সহজে মিশতে পারেন—এমন হিসেবেই এলাকায় পরিচিত মো. মাহমুদ হাসান চাঁন। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি এলাকার ছোট-বড়, তরুণ-বৃদ্ধ সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলেন এবং মানুষের বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করেন। সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও তরুণদের সঙ্গে নিয়ে তাঁর সক্রিয়তা রয়েছে বলে জানা গেছে।
নিজের প্রার্থিতা সম্পর্কে মো. মাহমুদ হাসান চাঁন বলেন, “৬ নম্বর ওয়ার্ডের ধুলাবালিতে বেড়ে উঠেছি। আমি এই এলাকার সন্তান। এলাকার মানুষের সেবা করতে চাই। তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে চাই।”
চাঁনের বক্তব্য অনুযায়ী, জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে শুধু প্রচলিত দায়িত্ব পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চান না তিনি। তরুণ সমাজকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড গড়ে তুলতে চান। বেকার তরুণদের কর্মমুখী করা, মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের প্রয়োজনের সময় পাশে থাকাকে তিনি অগ্রাধিকার দিতে চান।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অতীতে মেম্বার পদে দায়িত্ব পালনকারীদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে এবার নতুন প্রার্থী ও তরুণ নেতৃত্বের প্রতি কিছু ভোটারের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা, সুযোগ পেলে চাঁন ওয়ার্ডের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ নেবেন এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবেন।
স্থানীয়দের মতে, জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে বয়সের চেয়ে সততা, যোগ্যতা, মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা এবং কাজ করার সক্ষমতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তরুণ প্রার্থী মো. মাহমুদ হাসান চাঁন তাঁর ঘোষিত পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবে কতটা কার্যকর করতে পারেন, সেটিই ভোটারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
তরুণ এই প্রার্থীর প্রার্থিতা ঘিরে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তরুণদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কাকে তাঁদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেবেন, তা নির্ধারিত হবে নির্বাচনের ফলাফলে।
পুরোনোদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নতুন মুখ হিসেবে মাঠে থাকা ২৭ বছর বয়সী মো. মাহমুদ হাসান চাঁনের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—প্রতিশ্রুতিকে বাস্তব কাজে রূপ দিয়ে তিনি কতটা ভোটারের আস্থা অর্জন করতে পারবেন। নির্বাচনের মাঠে তাঁর এই পথচলা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।














