ভাগবা গ্রামে কিশোরকে মারধরের ঘটনায় নয়নকে জড়ানোর অভিযোগ; পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই
কয়রায় মেধাবী শিক্ষার্থী নয়নের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, বাবার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
- আপডেট সময় : ০৭:৫৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

কয়রা (খুলনা)| ১৬ আগস্ট ২০২৬ঃ খুলনার কয়রা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভাগবা এইচ.বি. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নয়ন হোসেন মুবিনকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও অনলাইনে প্রকাশিত একটি সংবাদকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তার বাবা মো. তাজউদ্দীন সরদার।
রোববার (১৬ আগস্ট) এক প্রতিবাদে মো. তাজউদ্দীন সরদার দাবি করেন, কয়রার ভাগবা গ্রামে মাদক সেবনের ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে মামুন নামের এক কিশোরকে মারধর করে আহত করার যে ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে তার ছেলে নয়ন হোসেন মুবিনকে জড়ানো হয়েছে ভুল ও ভিত্তিহীন তথ্যের মাধ্যমে।
তিনি বলেন, তার ছেলে ওই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নয়। সে নিয়মিত স্কুলে যায় এবং পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত থাকে। একটি কুচক্রী ও অসাধু মহল তার ছেলের সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ন এবং ভবিষ্যৎ জীবন ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের কাছে ভুল তথ্য সরবরাহ করে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
মো. তাজউদ্দীন সরদার বলেন, “আমার ছেলে এই ঘটনার সঙ্গে বিন্দুমাত্র জড়িত নয়। সে তার স্কুল ও পড়াশোনা নিয়ে সবসময় ব্যস্ত থাকে। একটি কুচক্রী ও অসাধু মহল আমার ছেলের সম্মান ক্ষুণ্ন করতে এবং তার ভবিষ্যৎ জীবন নষ্ট করার অসৎ উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের ভুল ও মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে এই সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রকাশিত হলে একজন শিক্ষার্থীর সামাজিক মর্যাদা, মানসিক অবস্থা ও শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এ ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্যের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর বা অসমর্থিত তথ্য প্রচার থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এদিকে, মেধাবী শিক্ষার্থী নয়ন হোসেন মুবিনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তাদের মতে, কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে সত্যতা নিশ্চিত করা জরুরি।
তবে এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো নয়নের পরিবারের পক্ষ থেকে করা দাবি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ঘটনাটির বিষয়ে পুলিশ, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা অভিযুক্ত অন্য পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে সংযোজন করা যেতে পারে।
ওয়েবে খোঁজ করে এই নির্দিষ্ট ঘটনা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীন কোনো সরকারি/প্রতিষ্ঠানিক সূত্র পাওয়া যায়নি; তাই যাচাই না হওয়া তথ্যকে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন না করে পরিবারের বক্তব্যের ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে।














