১৯ পদে ৪৫ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ৪০ বুথে ভোট দিয়েছেন ৯ উপজেলার ৪ হাজার ৫১৮ শ্রমিক ভোটার
কুড়িগ্রামে শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন ঘিরে উৎসবের আমেজ
- আপডেট সময় : ০৮:০৪:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল মাদ্রাসায় সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শেষ হয়।
এবারের নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১৯টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৫ জন প্রার্থী। জেলার ৯টি উপজেলা থেকে মোট ৪ হাজার ৫১৮ জন শ্রমিক ভোটার নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য নিবন্ধিত ছিলেন। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ৪০টি বুথের ব্যবস্থা করা হয়।
নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। পছন্দের প্রার্থীদের সমর্থনে সমর্থকদের স্লোগান, প্রচার-প্রচারণা ও ভোট প্রার্থনার মধ্য দিয়ে পুরো এলাকায় তৈরি হয় উৎসবের আমেজ।
শ্রমিক ইউনিয়নের এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের সমর্থকেরা বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালান। বিলবোর্ড, পোস্টার ও স্লোগানের মাধ্যমে প্রার্থীদের পক্ষে ভোট ও দোয়া কামনা করতে দেখা যায়। পরিবহন শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনের এই প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যেও ছিল বাড়তি আগ্রহ।
নির্বাচন কমিশনার ডা. মাহফুজার রহমান মজনু বলেন, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রমিকদের মধ্যে ঈদের আনন্দের মতো উৎসবের আমেজ ও বাড়তি উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন ঘিরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দিনব্যাপী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার লোকজনও নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছেন।
তিনি আরও জানান, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশনের সহ-সম্পাদক ছামসুজ্জামান ছামসু, প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন পিন্টু এবং কুড়িগ্রাম মোটর মালিক সমিতির সভাপতি লুৎফর রহমান বকশীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীরা ভোটগ্রহণের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন।
কুড়িগ্রাম জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি. নং রাজ-৩১৪) জেলার পরিবহন শ্রমিকদের অন্যতম সংগঠন। সংগঠনটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে সরগরম ছিল জেলার পরিবহন শ্রমিকদের অঙ্গন। চলতি নির্বাচনের আগে বিভিন্ন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও প্রচারণায় অংশ নেন।
দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে ভোট গণনা ও ফলাফল প্রস্তুতের কার্যক্রম। নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে বিভিন্ন পদে প্রাপ্ত ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রার্থীকে বিজয়ী হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে না।














