বিদ্যুৎ অপচয় রোধ, বিল কমানো ও জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণে সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ
গোপালগঞ্জে জেলা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ও সাশ্রয় সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৭:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ | ১৩ আগস্ট ২০২৬: গোপালগঞ্জে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা, সাশ্রয় এবং অপচয় রোধে জেলা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ও সাশ্রয় সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ‘স্বচ্ছতা’ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামান। সভায় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাবীবুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সভায় বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের অপচয় কমানো এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাবীবুল্লাহ বলেন, জাতীয় সম্পদ বিদ্যুৎ সংরক্ষণে সচেতন নাগরিকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা শুধু মাসিক বিদ্যুৎ বিল কমায় না, বরং দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস ও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিলের ব্যয় কমানো, অপচয় রোধ এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ-নির্ভর যন্ত্রপাতির ব্যবহার কমানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, অফিসের কার্যক্রম শেষে বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক সব ধরনের ডিভাইস সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারে উৎসাহিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
অফিসের বিভিন্ন কক্ষে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয় শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; নাগরিক পর্যায়েও এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিদ্যুতের অপচয় রোধের পাশাপাশি জাতীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।
সভা থেকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, নাগরিক দায়িত্ব পালন এবং আইন মেনে চলার মাধ্যমে একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, স্থিতিশীল ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।














