দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগে কৃষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ; দ্রুত সমাধানে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি
হরিরামপুরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ
- আপডেট সময় : ০৩:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, কৃষক, শিক্ষার্থী, শিশু এবং ব্যবসায়ীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী ২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকে না। এভাবে ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে দৈনন্দিন কাজকর্মে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
কৃষিভিত্তিক এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষেরা দিনভর পরিশ্রমের পর রাতের বিশ্রাম থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত লোডশেডিংয়ের কারণে তারা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছেন না। বিশেষ করে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত আলো ও স্বাভাবিক পরিবেশের অভাবে মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, অনেক সময় নামাজ ও আজানের সময়ও বিদ্যুৎ থাকে না। ধর্মীয় কার্যক্রমের সময় এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। তারা এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে হরিরামপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসার (ডিজিএম) হামিদুল হাসান বলেন, “সমসাময়িক বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছুটা বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে।”
এদিকে এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক হলে জনদুর্ভোগ কমবে এবং শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বস্তি ফিরে পাবেন।














