চট্টগ্রাম ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিক্সসহ ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ ডবলমুরিং-হালিশহরে মাদক, চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানকে জেলা কংগ্রেসের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

উপকারভোগীর তালিকায় স্বচ্ছল ব্যক্তিদের নাম থাকার অভিযোগ; প্রকৃত দরিদ্র পরিবার বঞ্চিত হওয়ার দাবি, মন্তব্য দিতে রাজি নয় SEEP কর্তৃপক্ষ

চকরিয়ার কাকারায় SEEP-এর ৮,১৪৮ টাকার অনুদান বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

মো.আবদুল্লাহ (আল-মামুন)
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার | ৪ আগস্ট ২০২৬: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা SEEP (NGO)-এর উদ্যোগে জনপ্রতি ৮,১৪৮ টাকা করে আর্থিক অনুদান বিতরণকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, অস্বচ্ছতা এবং প্রকৃত অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, দক্ষিণ কাকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিতরণ করা অনুদানের উপকারভোগীর তালিকায় এমন একাধিক ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যারা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল এবং অনুদান পাওয়ার নির্ধারিত মানদণ্ডের আওতায় পড়েন না।

অভিযোগ অনুযায়ী, কাকারা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে গোলাম কাদেরের পরিবারের সদস্য আব্দুল মালেক, আব্দুল খালেক, নুরু ছালাম, আব্দু ছালাম ও সাজেদা বেগমের নাম তালিকায় রয়েছে।
এছাড়া ৮ নম্বর ওয়ার্ডে আব্বাসের পরিবারের সদস্য নজির আহমদ (আনসার/ভিডিপি কমান্ডার), সাহাব উদ্দিন (মুদি ব্যবসায়ী), গিয়াস উদ্দিন (স্থানীয় ফার্মেসি ব্যবসায়ী), মিনহাজ (হোটেল মালিক) এবং ইউনিয়ন মহিলা লীগের সভাপতি বিশাখাঁর নামও উপকারভোগীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব ব্যক্তি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হওয়ায় অনুদান পাওয়ার যোগ্য নন।
একই সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বদিউল আলম ও তাঁর ভাই রিদোয়ানের পরিবার এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জাফর আলম ও আশরাফুলের নামও তালিকায় রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের কেউ বিদেশে কর্মরত, তাদের পাকা বাড়ি ও উল্লেখযোগ্য সম্পদ রয়েছে। ফলে প্রকৃত দরিদ্র ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার অনুদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, উপকারভোগীর তথ্য সংগ্রহে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. শফায়েত হোসেনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহায়তা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কাকারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম (শফী)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এনজিও কর্তৃপক্ষ এলাকার বন্যাকবলিত মহল্লাগুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে আমি শুধু এলাকাগুলো দেখিয়ে দিয়েছি। তবে উপকারভোগীর তথ্য সংগ্রহ বা তালিকা প্রস্তুতের বিষয়ে তারা আমার কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা নেয়নি।”

অন্যদিকে, এ বিষয়ে SEEP (NGO)-এর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে সম্মত হননি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হলে অনুদান কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের প্রাপ্য সহায়তা পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উপকারভোগীর তালিকায় স্বচ্ছল ব্যক্তিদের নাম থাকার অভিযোগ; প্রকৃত দরিদ্র পরিবার বঞ্চিত হওয়ার দাবি, মন্তব্য দিতে রাজি নয় SEEP কর্তৃপক্ষ

চকরিয়ার কাকারায় SEEP-এর ৮,১৪৮ টাকার অনুদান বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজার | ৪ আগস্ট ২০২৬: কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা SEEP (NGO)-এর উদ্যোগে জনপ্রতি ৮,১৪৮ টাকা করে আর্থিক অনুদান বিতরণকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, অস্বচ্ছতা এবং প্রকৃত অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, দক্ষিণ কাকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিতরণ করা অনুদানের উপকারভোগীর তালিকায় এমন একাধিক ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যারা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল এবং অনুদান পাওয়ার নির্ধারিত মানদণ্ডের আওতায় পড়েন না।

অভিযোগ অনুযায়ী, কাকারা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে গোলাম কাদেরের পরিবারের সদস্য আব্দুল মালেক, আব্দুল খালেক, নুরু ছালাম, আব্দু ছালাম ও সাজেদা বেগমের নাম তালিকায় রয়েছে।
এছাড়া ৮ নম্বর ওয়ার্ডে আব্বাসের পরিবারের সদস্য নজির আহমদ (আনসার/ভিডিপি কমান্ডার), সাহাব উদ্দিন (মুদি ব্যবসায়ী), গিয়াস উদ্দিন (স্থানীয় ফার্মেসি ব্যবসায়ী), মিনহাজ (হোটেল মালিক) এবং ইউনিয়ন মহিলা লীগের সভাপতি বিশাখাঁর নামও উপকারভোগীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব ব্যক্তি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হওয়ায় অনুদান পাওয়ার যোগ্য নন।
একই সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বদিউল আলম ও তাঁর ভাই রিদোয়ানের পরিবার এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জাফর আলম ও আশরাফুলের নামও তালিকায় রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের কেউ বিদেশে কর্মরত, তাদের পাকা বাড়ি ও উল্লেখযোগ্য সম্পদ রয়েছে। ফলে প্রকৃত দরিদ্র ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার অনুদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, উপকারভোগীর তথ্য সংগ্রহে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. শফায়েত হোসেনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহায়তা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কাকারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম (শফী)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এনজিও কর্তৃপক্ষ এলাকার বন্যাকবলিত মহল্লাগুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে আমি শুধু এলাকাগুলো দেখিয়ে দিয়েছি। তবে উপকারভোগীর তথ্য সংগ্রহ বা তালিকা প্রস্তুতের বিষয়ে তারা আমার কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা নেয়নি।”

অন্যদিকে, এ বিষয়ে SEEP (NGO)-এর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে সম্মত হননি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হলে অনুদান কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের প্রাপ্য সহায়তা পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।