মায়ের বুকের দুধের গুরুত্ব, ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান
পীরগঞ্জে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৫:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁও, ১ আগস্ট ২০২৬ | ‘জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান, টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনফারেন্স কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. কামাল আহাম্মদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ওয়ারিস ইয়াজদানি, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি ও অবস) ডা. এম. আর. রেজা এবং সিনিয়র স্টাফ নার্স সুপারভাইজার মোছা. নাজমা বেগমসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
বক্তারা বলেন, নবজাতকের জন্মের প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো এবং প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মাতৃদুগ্ধ নিশ্চিত করা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টি রোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি দুই বছর বা তারও বেশি সময় বয়স পর্যন্ত শিশুকে পরিপূরক খাবারের পাশাপাশি মাতৃদুগ্ধ পান করানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় গ্রামীণ জনপদের মায়েদের সন্তানকে নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়াতে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবী মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। এছাড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেবাগ্রহীতা, নার্স, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও ইউনিসেফের উদ্যোগে প্রতিবছর ১ থেকে ৭ আগস্ট বিশ্বব্যাপী বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন করা হয়। এর লক্ষ্য মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।














