শ্রীমঙ্গলের মির্জাপুর ইউনিয়নের পাচাউন এলাকায় পৃথক অভিযানে ৩৯ পিস ইয়াবা ও ১ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার; এক আসামি পলাতক
শ্রীমঙ্গলে পৃথক ডিবি অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০৩:২০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পৃথক অভিযানে ৩৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক আসামি পালিয়ে যান।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের পাচাউন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল।
প্রথম অভিযানে রুবেল মিয়া ওরফে লেখন মিয়া (৪১)-এর বসতবাড়ি ঘেরাও করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তার বড় ভাই মো. আব্দুল মতিন ওরফে লেখন মিয়া (৫৫) পালিয়ে যান। পরে রুবেল মিয়াকে আটক করে তার বসতবাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে তার কাছ থেকে ৩৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল মিয়া স্বীকার করেছেন যে, পালিয়ে যাওয়া ভাই আব্দুল মতিনের সহযোগিতায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ইয়াবাগুলো নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন।
একই দিনে পৃথক আরেকটি অভিযানে আব্দুর রহমান ওরফে লেদন মিয়া (৫৩) এবং মজনু মিয়া (৪২) নামের আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে আব্দুর রহমানের বসতঘরের বারান্দার কক্ষের চৌকির নিচ থেকে ১ কেজি গাঁজা এবং মজনু মিয়ার কাছ থেকে আরও ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
ডিবি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুর রহমান ও মজনু মিয়া বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে উদ্ধার হওয়া গাঁজা নিজেদের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।
মৌলভীবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য্য জানান, সিডিএমএস (CDMS) যাচাই করে দেখা গেছে, গ্রেপ্তার রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে পূর্বে চারটি, পলাতক আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে দুটি এবং গ্রেপ্তার আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে। পুলিশের দাবি, তারা সবাই পেশাদার মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শ্রীমঙ্গল থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। পলাতক আব্দুল মতিনকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলামের নির্দেশনায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে মৌলভীবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখার বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।














