রাঙ্গুনিয়ার দক্ষিণ রাজানগর, লালানগরের একাংশ ও পারুয়া এলাকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রীসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে
দক্ষিণ রাজানগরে খোরশেদ আলম ফারুকীর উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ
- আপডেট সময় : ১১:২২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গরিব, অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, মানবাধিকার সংগঠক ও সাবেক ছাত্রনেতা খোরশেদ আলম ফারুকীর উদ্যোগে এ মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সম্প্রতি দক্ষিণ রাজানগরের রাজাভুবন উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে খোরশেদ আলম ফারুকীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দক্ষিণ রাজানগর, লালানগরের একাংশ এবং পারুয়া এলাকার একাংশের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মধ্যে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মেজর মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী বখতেয়ার হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ফয়জুল ইসলাম, বিএনপি নেতা নুরুল আলম, মোহাম্মদ কাউসার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জিয়া মঞ্চের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ এজলাস, শিক্ষক নজরুল ইসলাম, ওয়ান ব্যাংকের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ রাশেদ, যুবদল নেতা মোহাম্মদ মিজান, মোহাম্মদ পারভেজসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষকে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবিলা সহজতর করা সম্ভব। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করে।
আয়োজক খোরশেদ আলম ফারুকী বলেন, “গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব করাই আমাদের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এলাকার সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
ত্রাণসামগ্রী পেয়ে উপকারভোগীরা আয়োজকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা ভবিষ্যতেও বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।















