চট্টগ্রাম ০৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানকে জেলা কংগ্রেসের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ পটিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, দুই প্রবাসীর ঘরে লুট: স্বর্ণ-নগদ টাকা ও সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

ফলন ভালো হলেও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও কম বাজারদরে হতাশ সালথার পাটচাষিরা; প্রতি মণ ৫ হাজার টাকা দামের দাবি

সালথায় ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টরে পাটের আবাদ, উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২৬ হাজার টন; ন্যায্যমূল্যের দাবিতে কৃষকরা

মোঃ ইলিয়াছ খান, ঢাকা ব্যুরো প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:২৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুর | ২৭ জুলাই ২০২৬: পাট ও পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য পরিচিত ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর উপজেলায় প্রায় ২৬ হাজার টন পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে মাঠজুড়ে চলছে পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়ানোর ব্যস্ততা। কৃষি বিভাগ আশা করছে, অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, সকাল থেকে কৃষকরা কাঁচি হাতে পাট কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। অন্যদিকে নদী-নালা, খাল ও বিলের পানিতে পাট জাগ দিয়ে আঁশ ছাড়ানোর কাজও পুরোদমে চলছে। পরিবারের নারী সদস্যরাও পাট শুকানো, আঁশ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কাজে অংশ নিচ্ছেন। চারদিকে নতুন পাটের গন্ধে মুখর হয়ে উঠেছে গ্রামাঞ্চল।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সালথা উপজেলার মানুষের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস পাট ও পেঁয়াজ চাষ। তবে চলতি মৌসুমে শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাটের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। পরবর্তীতে বৃষ্টি হলেও সার, শ্রমিক মজুরি, কীটনাশক ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক মো. আফজাল হোসাইন ও রোকন মোল্লা জানান, এ বছর পাটের ফলন ভালো হলেও বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না। বর্তমানে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার ৯০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তাঁদের দাবি, প্রতি মণ পাটের দাম অন্তত ৫ হাজার টাকা হলে উৎপাদন খরচ তুলে কিছুটা লাভ করা সম্ভব হতো। একই সঙ্গে পেঁয়াজের বাজারদর কম থাকায় কৃষকরা দ্বিমুখী সংকটে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল হাবিব আমজাদ জনি বলেন, “চলতি মৌসুমে সালথা উপজেলায় ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।”

কৃষকদের প্রত্যাশা, উৎপাদনের পাশাপাশি বাজারে পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হলে সোনালী আঁশের চাষে আরও আগ্রহ বাড়বে এবং দেশের কৃষি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফলন ভালো হলেও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও কম বাজারদরে হতাশ সালথার পাটচাষিরা; প্রতি মণ ৫ হাজার টাকা দামের দাবি

সালথায় ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টরে পাটের আবাদ, উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২৬ হাজার টন; ন্যায্যমূল্যের দাবিতে কৃষকরা

আপডেট সময় : ০৯:২৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুর | ২৭ জুলাই ২০২৬: পাট ও পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য পরিচিত ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর উপজেলায় প্রায় ২৬ হাজার টন পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে মাঠজুড়ে চলছে পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়ানোর ব্যস্ততা। কৃষি বিভাগ আশা করছে, অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, সকাল থেকে কৃষকরা কাঁচি হাতে পাট কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। অন্যদিকে নদী-নালা, খাল ও বিলের পানিতে পাট জাগ দিয়ে আঁশ ছাড়ানোর কাজও পুরোদমে চলছে। পরিবারের নারী সদস্যরাও পাট শুকানো, আঁশ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কাজে অংশ নিচ্ছেন। চারদিকে নতুন পাটের গন্ধে মুখর হয়ে উঠেছে গ্রামাঞ্চল।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সালথা উপজেলার মানুষের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস পাট ও পেঁয়াজ চাষ। তবে চলতি মৌসুমে শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পাটের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। পরবর্তীতে বৃষ্টি হলেও সার, শ্রমিক মজুরি, কীটনাশক ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক মো. আফজাল হোসাইন ও রোকন মোল্লা জানান, এ বছর পাটের ফলন ভালো হলেও বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না। বর্তমানে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার ৯০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তাঁদের দাবি, প্রতি মণ পাটের দাম অন্তত ৫ হাজার টাকা হলে উৎপাদন খরচ তুলে কিছুটা লাভ করা সম্ভব হতো। একই সঙ্গে পেঁয়াজের বাজারদর কম থাকায় কৃষকরা দ্বিমুখী সংকটে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসানুল হাবিব আমজাদ জনি বলেন, “চলতি মৌসুমে সালথা উপজেলায় ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।”

কৃষকদের প্রত্যাশা, উৎপাদনের পাশাপাশি বাজারে পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হলে সোনালী আঁশের চাষে আরও আগ্রহ বাড়বে এবং দেশের কৃষি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।