গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর দক্ষিণ ইসলামপুরে গিয়ে খাদ্য, নগদ সহায়তা প্রদান; প্রতিবন্ধী ভাতা, চিকিৎসা ও রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস
একই পরিবারের ১১ জন্মান্ধ সদস্যের পাশে এমপি এম নাসের রহমান, আর্থিক সহায়তা ও চিকিৎসার পূর্ণ আশ্বাস
- আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার | ২৭ জুলাই ২০২৬: মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের দক্ষিণ ইসলামপুর গ্রামের একই পরিবারের ১১ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সদস্যের অসহায় জীবনযাপনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান।

জানা যায়, লন্ডনে অবস্থানকালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে বিষয়টি জানতে পারেন সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান। এরপর তিনি দ্রুত তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী ও স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। দেশে ফিরে শনিবার সরাসরি দক্ষিণ ইসলামপুর গ্রামে গিয়ে পরিবারটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
পরিবারটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তিনি তাদের দৈনন্দিন জীবনসংগ্রাম, চিকিৎসা সংকট, আবাসন সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের কথা শোনেন। পরে তাদের হাতে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন।
এ সময় এমপি এম নাসের রহমান জানান, তাঁর উদ্যোগে মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সহযোগিতায় পরিবারের তিন সদস্যের—একজন প্রাপ্তবয়স্ক ও দুই শিশুর—সফল চোখের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তারা দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন। পরিবারের বাকি সদস্যদের চিকিৎসার জন্যও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
এছাড়া পরিবারটিকে সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাদের বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান বলেন, “আপনাদের কষ্টের কথা জানতে পেরে আমি চুপ করে থাকতে পারিনি। লন্ডনে থাকা অবস্থায় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি। দেশে ফিরে সবার আগে আপনাদের খোঁজখবর নিতে এসেছি। আপনাদের পাশে আমি আছি, ভবিষ্যতেও থাকব।”
স্থানীয় বাসিন্দারা এমপির এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, পরিবারটির দীর্ঘদিনের চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তার সংকট দ্রুত সমাধান হবে।














