রাজবাড়ীর পাংশায় সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিক আকাশ মাহমুদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ, দ্রুত বিচার দাবি সাংবাদিক নেতাদের
সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক আকাশ মাহমুদের ওপর হামলা: বিএমএসএস হরিরামপুর উপজেলা শাখার তীব্র নিন্দা, দোষীদের শাস্তির দাবি
- আপডেট সময় : ০৩:৪১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৫৬ বার পড়া হয়েছে

রাজবাড়ীর পাংশা পৌর শহরের মৈশালা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন কালের কণ্ঠ-এর রাজবাড়ী জেলা (মাল্টিমিডিয়া) রিপোর্টার ও এনপিবি নিউজ-এর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো. আকাশ মাহমুদ। এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হামলার পর আহত সাংবাদিক আকাশ মাহমুদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস) হরিরামপুর উপজেলা শাখা।
সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী এক বিবৃতিতে বলেন, একজন গণমাধ্যমকর্মীর পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান এবং তার ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য উদ্বেগজনক। তিনি দ্রুত হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বিএমএসএস হরিরামপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আমজাদ মীর বলেন, দেশে সাংবাদিক নির্যাতন, হামলা, গুম ও হত্যার ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। তিনি সাংবাদিক আকাশ মাহমুদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কয়েকজন ইজিবাইক চালকের দুর্ব্যবহারের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রেক্ষিতে শনিবার বিকেলে কয়েকজন ছাত্র প্রতিনিধি মৈশালা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে চালকদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, মৈশালা-লাঙ্গলবাঁধ সড়কে চলাচলকারী কয়েকজন ইজিবাইক চালক সংঘবদ্ধভাবে ছাত্র প্রতিনিধিদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিক আকাশ মাহমুদের ওপরও হামলা করা হয়। তার দাবি, হামলাকারীরা তার মোবাইল ফোন থেকে ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলে এবং পুনরায় মারধরের চেষ্টা করলে তিনি সেখান থেকে সরে গিয়ে আত্মরক্ষা করেন।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাংবাদিক মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।














