কেলিশহর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ে বিশেষ অভিযানে একনলা বন্দুক, এলজি, কিরিচ ও রামদাসহ বিপুল অস্ত্র উদ্ধার
পটিয়ার দুর্গম পাহাড়ে ডিবি পুলিশের অভিযান: বিপুল অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২
- আপডেট সময় : ১০:২৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ৮৩ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ জুলাই ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল পটিয়ার কেলিশহর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে ইন্নারপাড়া এলাকার দেলোয়ার হোসেনের বাড়ির একটি খাটের নিচ থেকে ৬টি কিরিচ, ৫টি রামদা, ২টি লোহার কাটার এবং ২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। একই এলাকার ছাতি আবসারের গাছবাগান থেকে ২টি একনলা বন্দুক ও ২টি দেশীয় এলজি উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের সময় নিজ নিজ বাড়ি থেকে দেলোয়ার হোসেন (৫৪) ও মো. মহসিন (৩৩)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অপহরণ এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, সরকার অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সেই নীতির বাস্তবায়নে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা দুর্গম পাহাড়ি এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাস দমনের লক্ষ্যে পরিচালিত অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— দেলোয়ার হোসেন, পিতা: মৃত মো. দুলা মিয়া এবং মো. মহসিন, পিতা: নুর আলম। উভয়ের বাড়ি পটিয়া উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইন্নারপাড়া (ছদু মিয়ার বাড়ি) এলাকায়।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর উৎস, সম্ভাব্য সহযোগী এবং এগুলোর সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে














