আসন্ন আওলাই ইউপি নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী জবা মেম্বারের গণসংযোগ জোরদার
- আপডেট সময় : ১২:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী হিসেবে মাঠে সক্রিয় হয়েছেন সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা জোবায়ের হোসেন (জবা মেম্বার)। তিনি ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও ওয়ার্ডে গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা এবং শুভেচ্ছা বিনিময় কার্যক্রম শুরু করেছেন।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রিয়তার কারণে দলীয় সমর্থন পেলে জবা মেম্বার চেয়ারম্যান পদে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন।
জোবায়ের হোসেন আওলাই ইউনিয়নের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আলহাজ আবুল হোসেন মন্ডল এলাকার একজন সুপরিচিত ব্যক্তি। ২০০১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দেন এবং প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন।
পরবর্তীতে কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে একই দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ২০২২ সালে ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলে যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির সমর্থনে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম, বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিসহ কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের সময় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয়। জোবায়ের হোসেনের দাবি, এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা ছিল। মামলার কারণে তাঁকে কারাভোগ এবং দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকতে হলেও দলীয় কার্যক্রম থেকে তিনি সরে যাননি।
নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে জবা মেম্বার বলেন, “আওলাই ইউনিয়ন তিনটি উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় এখানে মাদক, চুরি ও বিভিন্ন অপরাধের প্রবণতা তুলনামূলক বেশি। জনগণের সমর্থনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখব। পাশাপাশি রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা এবং সরকারি ভাতা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে স্বচ্ছতার সঙ্গে পৌঁছে দিতে কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সবসময় দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করে দল আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আশা করছি। দলীয় সমর্থন পেলে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে অবহেলিত আওলাই ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দুঃসময়ে জবা মেম্বার দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন ভোটার জানান, ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জবা মেম্বার সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তাঁদের প্রত্যাশা।




















