স্ত্রীর তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযান; দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য, তদন্ত চলছে।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পারিবারিক কলহের জেরে বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
- আপডেট সময় : ১০:০৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের পুরান বেড়ী এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে পুলিশের অভিযানে একটি বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও হামলায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গভীর রাতে পরিচালিত এ অভিযানের পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ২ নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরান বেড়ী এলাকার আবুল সরদারের বাড়িতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযুক্ত আবুল হোসেন সর্দার পেশায় একজন জেলে। ঘটনার সময় তিনি নদীতে মাছ ধরতে যাওয়ায় বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আবুল হোসেন সর্দারের স্ত্রী খালেদা আক্তার পারিবারিক বিরোধের প্রেক্ষাপটে বাড়িতে অস্ত্র মজুত থাকার বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করেন। পরে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ঘর থেকে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো কী উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অস্ত্রের উৎস শনাক্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এলাকাবাসী আরও বলেন, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে নিয়মিত পুলিশি টহল ও নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।
অভিযুক্ত আবুল হোসেন সর্দারকে ঘটনার পর পাওয়া না যাওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আবুল হোসেন সর্দার ও তাঁর স্ত্রী খালেদা আক্তারের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। আবুল হোসেন মাছ ধরতে গেলে তাঁর স্ত্রীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস, সংরক্ষণের উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।














