জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা; ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পীরগঞ্জে স্থায়ী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার আহ্বান।
জুলাই শহীদ দিবসে পীরগঞ্জে শ্রদ্ধা ও স্মরণ, স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণে সর্বসম্মত সমর্থন
- আপডেট সময় : ১২:১০:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে

জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ, আহতদের অবদান এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম রব্বানী সরদার।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এন এম ইসফাকুল কবীর, পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন প্রামাণিক এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর ইসলাম জিয়া।
বক্তারা জুলাই আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী জুলাই যোদ্ধাদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাদের অবদান তুলে ধরেন।
সভায় বক্তারা বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পীরগঞ্জ পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন উপজেলা চত্বরে একটি স্থায়ী ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
তিনি বলেন, “শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ সকল জুলাই যোদ্ধাদের মহান আত্মত্যাগ যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কখনও ভুলে না যায়, সেজন্য পীরগঞ্জ উপজেলা চত্বরে একটি স্থায়ী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত জরুরি।”
তার এ প্রস্তাবকে উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা সমর্থন জানান। বক্তারা জুলাই আন্দোলনের চেতনা সংরক্ষণ, শহীদদের স্মৃতি রক্ষা এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইতিহাসচর্চা জোরদারের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সাংবাদিক, মসজিদের ইমাম, জুলাই যোদ্ধা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সবশেষে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।














