তিনটি পৃথক চুরির মামলায় বিশেষ অভিযান; দুটি সরকারি বিদ্যালয় ও একটি বসতবাড়ির চুরির রহস্য উদঘাটনের দাবি পুলিশের।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় ৪ আসামি গ্রেপ্তার, আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ
- আপডেট সময় : ১০:৩৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা | ১৫ জুলাই ২০২৬: কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় পৃথক তিনটি চুরির ঘটনায় জড়িত চারজন আসামিকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ। দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি বসতবাড়িতে সংঘটিত এসব চুরির ঘটনায় দায়ের হওয়া পৃথক মামলার তদন্তের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে তিনটি পৃথক মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রথম ঘটনায়, গত ২৭ মে সন্ধ্যা থেকে ২৯ মে সকালের মধ্যে উপজেলার ১ নম্বর মাধবপুর ইউনিয়নের মকিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে এসআই (নিঃ) মো. জালাল উদ্দিন অভিযান চালিয়ে চুরির সঙ্গে জড়িত মো. ইমন ওরফে ইমন (২৩)-কে গ্রেপ্তার করেন। তিনি উপজেলার কান্দুঘর (মঞ্জুর আলী ফকির বাড়ি) গ্রামের মো. শাহজালালের ছেলে।
দ্বিতীয় ঘটনায়, উপজেলার ৮ নম্বর মালাপাড়া ইউনিয়নের এম ই চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ২ জুলাই বিকেল থেকে ৫ জুলাই সকালের মধ্যে প্রধান ফটক ও অফিস কক্ষের তালা ভেঙে মালামাল চুরির ঘটনা ঘটে। মামলার তদন্তে পুলিশ আরমান প্রকাশ রিফাত (২০)-কে গ্রেপ্তার করে। তিনি বুড়িচং উপজেলার লড়িবাগ (উত্তরপাড়া, মাওলানা বাড়ি) গ্রামের বশির আহম্মদের ছেলে।
এছাড়া গত ১১ মে ব্রাহ্মণপাড়া সদর ইউনিয়নের একটি বসতবাড়ির দরজার তালা ভেঙে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় হাসিবুর রহমান শান্ত (২৭) ও শহিদুল হাসান হৃদয় (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে শান্ত ব্রাহ্মণপাড়া পূর্বপাড়া গ্রামের এবং হৃদয় নাইঘর (নোয়াপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত চার আসামিকে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।














