সরকারি স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে বড় উদ্যোগ; উপজেলা-জেলা হাসপাতাল পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করারও ঘোষণা।
সরকারি হাসপাতালে সেবার মান বাড়াতে বড় নিয়োগ পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ০৬:৩৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

সরকারি স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব করতে ২৫ হাজার ধাত্রী (মিডওয়াইফ) এবং ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের ৫১ শয্যার সরকারি হাসপাতালগুলো পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৫ হাজার ধাত্রী নিয়োগ দেওয়া হবে। তারা গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদ ও স্বাভাবিক (নরমাল) প্রসবে উৎসাহিত করবেন এবং মাতৃস্বাস্থ্য সেবাকে আরও কার্যকর করবেন। একই সঙ্গে দেশের স্বাস্থ্যসেবা আরও বিস্তৃত করতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের ৫১ শয্যার হাসপাতালগুলো পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে, যাতে চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়ে এবং রোগীরা স্থানীয় পর্যায়েই উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি চিকিৎসাসেবাকে আরও সহজলভ্য করে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। রাজধানীকেন্দ্রিক চিকিৎসাসেবার ওপর চাপ কমাতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আরও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
তার মতে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করলে গ্রামাঞ্চলের মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অপ্রয়োজনে ঢাকায় ছুটে আসতে হবে না। এতে সময়, অর্থ ও ভোগান্তি—সবই কমবে।
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছান। তার আগমনকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।
স্বাস্থ্য খাতে নতুন জনবল নিয়োগ এবং হাসপাতালের শয্যা বৃদ্ধি সংক্রান্ত এ ঘোষণা দেশের সরকারি স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।














