ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহায়তা অব্যাহত রাখার ঘোষণা; সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান
লোহাগাড়ায় বন্যার্ত ৩ শতাধিক পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা ও সাংবাদিক নুরুল আলম কোম্পানি, বিতরণ করলেন নগদ অর্থ ও শুকনা খাবার
- আপডেট সময় : ১১:০০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) | ৯ জুলাই ২০২৬ : দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় টানা বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা বিএনপির নেতা, সমাজসেবক ও সাংবাদিক আলহাজ নুরুল আলম কোম্পানি। ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও তহবিল থেকে তিনি উপজেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় পানিবন্দি পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও শুকনা খাবার বিতরণ করছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে পদুয়া ইউনিয়নের বার আউলিয়া মাজার গেইট, মীরপাড়া, আধুনগরের ছায়াপাড়া, মছদিয়া, চুনতি, পুটিবিলা এবং আশপাশের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের হাতে নগদ অর্থ ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন।
ত্রাণ বিতরণকালে আলহাজ নুরুল আলম কোম্পানি বলেন, “দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। বিপদ-আপদ মহান আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। তাই ধৈর্য ধারণের পাশাপাশি সামর্থ্যবান সবাইকে অসহায় মানুষের পাশে এগিয়ে আসতে হবে।”
তিনি জানান, ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় তিন শতাধিক পানিবন্দি পরিবারকে নগদ অর্থ ও শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী লোহাগাড়ার সাতটি ইউনিয়নে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এত বড় দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
নুরুল আলম কোম্পানি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি নিয়মিত তদারকি করছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ইদ্রীস মিয়া এবং দলের নেতাকর্মীরা, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারেন।
স্থানীয়রা জানান, বন্যার কারণে অনেক পরিবার এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। এ অবস্থায় ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ ও নগদ সহায়তা পাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য তাৎক্ষণিক স্বস্তি এনে দিয়েছে।














