চৌমুহনী ও বেগমগঞ্জের কয়েকটি আবাসিক হোটেলে যৌথ অভিযান; স্থানীয়দের দাবি, নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।
চৌমুহনী–বেগমগঞ্জে হোটেল তল্লাশি, ১৪ জনকে আটক করল পুলিশ
- আপডেট সময় : ১০:৫৩:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও চৌমুহনী এলাকার কয়েকটি আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগে যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চৌমুহনী ও বেগমগঞ্জ বাজার এলাকার কয়েকটি আবাসিক হোটেলে অসামাজিক ও অনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এদিকে অভিযানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আইনানুগ হেফাজতে নিচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, আবাসিক হোটেলের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এক অভিভাবক বলেন,
> “আমরা দীর্ঘদিন ধরে এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। ভবিষ্যতেও যেন নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়।”
পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আটক ব্যক্তিদের পরিচয় কিংবা তাদের বিরুদ্ধে কী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে স্থানীয়দের প্রত্যাশা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবাসিক হোটেলগুলোকে আইন মেনে পরিচালনা এবং কোনো ধরনের অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত না থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।















কর্তব্যরত ‘সত্যসন্ধান ২৪’ এর সাংবাদিক আরিয়ানের ওপর হামলা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ: আর কতদিন
ঢাকা: ‘সত্যসন্ধান ২৪’ এর স্টাফ রিপোর্টার আরিয়ান ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পিএলবি কর্মকর্তা জলিল ও তার সঙ্গীদের হাতে চরমভাবে অপদস্থ ও হামলার শিকার হয়েছেন
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে যখন আরিয়ান একটি ভুয়া পুলিশ আটকের ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন
আরিয়ানের অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পরই তার ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়। ভিডিও ধারণ করার সময় তার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়ে আছড়ে ফেলা হয়। এছাড়া, তাকে ধাক্কা দেওয়া হয় এবং তার মায়ের নামে অত্যন্ত খারাপ ও অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করা হয়
তিনি নিজের সাংবাদিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন করার পরও পিএলবি কর্মকর্তা জলিল ও তার সঙ্গীরা তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং মারমুখী আচরণ করেন। উপস্থিত জনসাধারণ তাকে রক্ষা না করলে তাকে আরও বড় ধরনে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হতো
পরবর্তীতে, স্থানীয়ভাবে একটি শালিস বসানো হয়। সেখানে এসবি কর্মকর্তা হাসান উপস্থিত হয়ে ঘটনার প্রেক্ষিতে দোষীদের জরিমানা করে ৫০০ টাকা আদায় করেন এবং সেই টাকা আরিয়ানকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেন। তবে, এসবি কর্মকর্তা হাসানও আরিয়ানকে ভিডিওটি মুছে ফেলার জন্য অনুরোধ করেন
সাংবাদিক মহলে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। আরিয়ানের মতো এভাবে আর কতজন সংবাদকর্মীকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এমন নির্যাতন ও হুমকির সম্মুখীন হতে হবে, সেটাই আজ বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।।।।।।?