টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে খেদারমারা ইউনিয়নকে হারিয়ে শিরোপা জয়; সেরা খেলোয়াড় ঝন্টু দাস
লংগদু জোন কাপের শিরোপা মাইনীমুখ ইউনিয়নের দখলে
- আপডেট সময় : ০৫:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার লংগদু জোন আয়োজিত জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে টাইব্রেকারে বাঘাইছড়ির খেদারমারা ইউনিয়নকে ৩-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়ন।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে লংগদু উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে উভয় দল গোলশূন্য ড্র করে। অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল গোলের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচটি গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ৩-২ গোলে জয় নিশ্চিত করে মাইনীমুখ ইউনিয়ন শিরোপা জিতে নেয়।
ফাইনাল শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন লংগদু জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ, এসপিপি, পিএসসি।
টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন চ্যাম্পিয়ন দল মাইনীমুখ ইউনিয়নের ফুটবলার ঝন্টু দাস।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লংগদু জোন কমান্ডার বলেন, খেলাধুলা তরুণদের মাদকাসক্তি থেকে দূরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি যুবসমাজের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি, আত্মবিশ্বাস এবং দেশপ্রেম জাগ্রত করে। পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহাবস্থান সুদৃঢ় করতেও খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন স্থানীয় তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন আরও শক্তিশালী করবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ৩২ আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক মোহা. সারোয়ার জাহান চৌধুরী, লংগদু জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. শাহিনুর মাহমুদ খান, মেজর মো. শাহিনুর আল সাকিব, লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. তোফাজ্জল হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর লংগদু উপজেলা আমীর মাওলানা নাছির উদ্দীনসহ সেনাবাহিনী, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
লংগদু জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে লংগদু উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের পাশাপাশি বাঘাইছড়ি উপজেলার আমতলী ও খেদারমারা ইউনিয়নসহ মোট নয়টি দল অংশ নেয়। টুর্নামেন্টজুড়ে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। আয়োজকদের মতে, এ ধরনের প্রতিযোগিতা তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।














