নোবিপ্রবির ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনকে ঘিরে ব্যতিক্রমী মুহূর্ত
নোবিপ্রবিতে শিক্ষামন্ত্রীকে শিশুর প্রশ্ন: ‘হেলিকপ্টার নিয়ে কবে আসবেন?’—মুহূর্তেই ভাইরাল কৌতূহল
- আপডেট সময় : ০৫:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী | ২২ জুন ২০২৬ : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে এক ব্যতিক্রমী ও হৃদয়স্পর্শী মুহূর্তের জন্ম দিয়েছে একটি শিশুর সরল প্রশ্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস, ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের মুখোমুখি হয়ে এক শিশু জানতে চায়, “হেলিকপ্টার নিয়ে কবে আসবেন?”
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নোবিপ্রবির বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ঘটনাটি ঘটে। শিশুটির এমন নির্ভেজাল কৌতূহলপূর্ণ প্রশ্নে উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হাস্যরসের সৃষ্টি হয় এবং মুহূর্তটি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়।
জানা যায়, ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবদুল মমিন সিদ্দিকীর কন্যা সাবাহ্ সিদ্দিকা পুরস্কার গ্রহণের জন্য মঞ্চে ওঠে। এ সময় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়ে সে সরাসরি প্রশ্ন করে, “হেলিকপ্টার নিয়ে কবে আসবেন?” শিশুটির এমন সরল ও অকপট প্রশ্নে উপস্থিত সবাই মুগ্ধ হন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে ডিনস অ্যাওয়ার্ড ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ডসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৫১টি পুরস্কার তুলে দেন।
নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান এবং নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন হোসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও স্মরণ করেন।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
নোবিপ্রবিতে শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতি এবং শিশুর সরল প্রশ্নের এই মুহূর্ত ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।














