চট্টগ্রাম ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিক্সসহ ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ ডবলমুরিং-হালিশহরে মাদক, চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানকে জেলা কংগ্রেসের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত চারটি অভিযোগের জবাবে প্রকল্প পরিচালকের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য’ প্রচারের প্রতিবাদ, প্রকল্প পরিচালকের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

স্টাফ রিপোর্টার | চট্টগ্রাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বাস্তবায়নাধীন ‘চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার হতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ’ প্রকল্প, যা বর্তমানে ‘শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ নামে পরিচিত, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত একাধিক অভিযোগের বিরুদ্ধে বিস্তারিত প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।

প্রতিবাদলিপিতে তিনি দাবি করেন, প্রকল্পের দ্বিতীয় ভেরিয়েশন, ডিপিপি সংশোধন, বিদ্যুৎ অবকাঠামো স্থানান্তর এবং টোল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রচারিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর।
প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছিল, ১৯৩ কোটি টাকার ভেরিয়েশন অনুমোদনের মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগির চেষ্টা করা হয়েছে। এর জবাবে প্রকল্প পরিচালক বলেন, ভেরিয়েশন প্রস্তাবটি সরকারি ক্রয় বিধিমালা, চুক্তির শর্ত এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ পরামর্শকদের সুপারিশ অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে। একাধিক তদন্ত কমিটি, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রস্তাবটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রণীত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় অভিযোগে প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত ডিপিপির মাধ্যমে ১ হাজার ৪৮ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ আনা হয়। এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, নতুন অ্যালাইনমেন্ট, অতিরিক্ত কাঠামো এবং কারিগরি প্রয়োজনের কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পায়। পরিকল্পনা কমিশন, পিইসি সভা এবং একনেকের অনুমোদনের মাধ্যমে সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদিত হয়েছে।

তৃতীয় অভিযোগে বিদ্যুতের খুঁটি সরাতে ১৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের দাবি করা হলেও প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বলছে, এই অর্থ কেবল খুঁটি অপসারণে নয়, বরং ৩৩/১১/০.৪ কেভি বিদ্যুৎ লাইন, উপকেন্দ্র, রোড ক্রসিং লাইন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো স্থানান্তর এবং আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যবস্থায় প্রতিস্থাপনের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) মাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে। কাজ শেষে উদ্বৃত্ত অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

চতুর্থ অভিযোগে টোল ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি নাকচ করে প্রকল্প পরিচালক জানান, উড়ালসড়কে টোল আদায় কার্যক্রম সিডিএর চেয়ারম্যান, সচিব ও সিস্টেম অ্যানালিস্টের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। টোলের অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রকল্প পরিচালকের এ কার্যক্রমে কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, তথ্য যাচাই ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ প্রচারের মাধ্যমে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যম ও জনসাধারণকে বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত চারটি অভিযোগের জবাবে প্রকল্প পরিচালকের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য’ প্রচারের প্রতিবাদ, প্রকল্প পরিচালকের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

আপডেট সময় : ০২:০৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বাস্তবায়নাধীন ‘চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার হতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ’ প্রকল্প, যা বর্তমানে ‘শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ নামে পরিচিত, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত একাধিক অভিযোগের বিরুদ্ধে বিস্তারিত প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।

প্রতিবাদলিপিতে তিনি দাবি করেন, প্রকল্পের দ্বিতীয় ভেরিয়েশন, ডিপিপি সংশোধন, বিদ্যুৎ অবকাঠামো স্থানান্তর এবং টোল ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রচারিত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর।
প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছিল, ১৯৩ কোটি টাকার ভেরিয়েশন অনুমোদনের মাধ্যমে অর্থ ভাগাভাগির চেষ্টা করা হয়েছে। এর জবাবে প্রকল্প পরিচালক বলেন, ভেরিয়েশন প্রস্তাবটি সরকারি ক্রয় বিধিমালা, চুক্তির শর্ত এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ পরামর্শকদের সুপারিশ অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে। একাধিক তদন্ত কমিটি, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রস্তাবটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রণীত হয়েছে বলে মতামত দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় অভিযোগে প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত ডিপিপির মাধ্যমে ১ হাজার ৪৮ কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ আনা হয়। এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, নতুন অ্যালাইনমেন্ট, অতিরিক্ত কাঠামো এবং কারিগরি প্রয়োজনের কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পায়। পরিকল্পনা কমিশন, পিইসি সভা এবং একনেকের অনুমোদনের মাধ্যমে সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদিত হয়েছে।

তৃতীয় অভিযোগে বিদ্যুতের খুঁটি সরাতে ১৩০ কোটি টাকা আত্মসাতের দাবি করা হলেও প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বলছে, এই অর্থ কেবল খুঁটি অপসারণে নয়, বরং ৩৩/১১/০.৪ কেভি বিদ্যুৎ লাইন, উপকেন্দ্র, রোড ক্রসিং লাইন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো স্থানান্তর এবং আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যবস্থায় প্রতিস্থাপনের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) মাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে। কাজ শেষে উদ্বৃত্ত অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

চতুর্থ অভিযোগে টোল ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি নাকচ করে প্রকল্প পরিচালক জানান, উড়ালসড়কে টোল আদায় কার্যক্রম সিডিএর চেয়ারম্যান, সচিব ও সিস্টেম অ্যানালিস্টের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। টোলের অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রকল্প পরিচালকের এ কার্যক্রমে কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, তথ্য যাচাই ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ প্রচারের মাধ্যমে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যম ও জনসাধারণকে বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।