পারিবারিক বিরোধের জেরে শালিশ বৈঠকে হামলা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনায় চিকিৎসাধীন আব্দুর রহিম
নড়াইলে গ্রাম্য শালিশে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম, খুলনায় প্রেরণ
- আপডেট সময় : ০৫:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

নড়াইলে গ্রাম্য শালিশ বৈঠকের মধ্যে এক জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে নড়াইল পৌর এলাকার ডুমুরতলা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত মো. আব্দুর রহিম ডুমুরতলা গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি নড়াইল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড জামায়াতের একটি ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে স্থানীয় জামায়াত নেতারা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডুমুরতলা গ্রামের ঈদগাহপাড়া এলাকার আশিক মোল্যা ও তার ভাই রাজু মোল্যার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, বুধবার আশিক মোল্যা তার ভাই রাজুর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটান। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে স্থানীয়ভাবে একটি গ্রাম্য শালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে শালিশ বৈঠক শুরু হলে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি হিসেবে আব্দুর রহিমকে সেখানে ডাকা হয়। বৈঠকের একপর্যায়ে অভিযুক্ত আশিক মোল্যা উঠে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে আব্দুর রহিম তাকে থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় আশিকের কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
আহতের ভাতিজা তানভীর রহমান জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। শালিশে উপস্থিত আব্দুর রহিম বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু আশিক মোল্যা হঠাৎ ছুরি দিয়ে হামলা চালান।
ঘটনার পর অভিযুক্ত আশিক মোল্যা পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। আশিকের বাবা কালিম মোল্যা বলেন, “আমার ছেলে আব্দুর রহিমকে কুপিয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, শালিশ বৈঠকে একজনকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।














