সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং শেখ তুহিনের সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে দুদকের তদন্তের দাবি
গোপালগঞ্জে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন, শেখ তুহিনের গ্রেপ্তার ও দুদক তদন্তের আহ্বান
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জ | ১০ জুন ২০২৬: সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার, অভিযুক্ত শেখ তুহিনের সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত এবং তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে গোপালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে প্রেসক্লাব, গোপালগঞ্জের উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমকর্মী ছাড়াও সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সত্য প্রকাশের পথ বাধাগ্রস্ত করতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য হুমকিস্বরূপ।
তারা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ ও স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, শেখ তুহিনের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এসব সম্পদের উৎস ও বৈধতা যাচাইয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা বলেন, “সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিক সমাজ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীদের হয়রানি বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আরমান খান জয়। এতে বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন মো. জুবায়ের হোসেন, শৈলেন্দ্রনাথ মজুমদার, আরিফুল হক আরিফ, মামুনুর রশিদ জুয়েল, পলাশ শিকদার, আরিফুল রশিদ, মেহেদী হাসান, বিশ্বজিৎ চন্দ্র সরকার, লুৎফর সিকদারসহ গোপালগঞ্জের বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।














