বাগজানা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী, প্রয়াত নেতাকর্মীদের স্মরণে সম্মাননা ও জেলা বিএনপি নেতাকে সংবর্ধনা
পাঁচবিবিতে বিএনপির ঈদ পুনর্মিলনী: প্রয়াত নেতাকর্মীদের মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান, মাসুদ রানা প্রধানকে সংবর্ধনা
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাট | ৬ জুন ২০২৬ : জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী, প্রয়াত নেতাকর্মীদের মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান এবং জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) দুপুর ১২টায় বাগজানা ইউনিয়নের আটাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাগজানা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও বাগজানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নাজমুল হক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রাজু।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জয়পুরহাট জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান। তিনি বলেন, বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবদান দল কখনও ভুলবে না। প্রয়াত নেতাকর্মীদের স্মরণ এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব, পাঁচবিবি উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ডালিম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান চৌধুরী, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল আলম তরফদার রুকু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল ফেরদৌস রাইট, জেলা বিএনপির সদস্য আলী আহসান মুক্তা, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মঞ্জুরে মওলা পলাশসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে জেলা পরিষদের প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধানকে সংবর্ধনা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে বাগজানা ইউনিয়ন বিএনপির প্রয়াত নেতাকর্মীদের স্মরণে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হাতে মরণোত্তর সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।
বক্তারা বলেন, দলের দুঃসময়ে যাঁরা ত্যাগ ও অবদান রেখেছেন, তাঁদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানো বিএনপির সাংগঠনিক সংস্কৃতির অংশ। এ ধরনের আয়োজন দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংগঠনিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।














