সফিপুর ও চন্দ্রাসহ বিভিন্ন এলাকায় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ মানুষ; দ্রুত অপসারণের দাবি এলাকাবাসীর
কালিয়াকৈরে ঈদের তিন দিন পরও অপসারণ হয়নি কোরবানির বর্জ্য, জনদুর্ভোগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী
- আপডেট সময় : ০১:১১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর বর্জ্য তিন দিন পার হলেও অপসারণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে দুর্গন্ধ, পরিবেশ দূষণ এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, পথচারী ও রোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চন্দ্রা, হরতকিতলা, ডাইনকিনি, সফিপুর, চন্দ্রা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশু জবাইয়ের পর চামড়া ও বর্জ্য সড়কের পাশে এবং মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে চন্দ্রা ত্রিমোড়, ফায়ার সার্ভিস রোড, আমতলা, বাদশা হাউজ এলাকা, চারতলা মাইওয়ান মোড়, সফিপুর বাজার, তানহা হেলথ কেয়ার হাসপাতালের সামনের অংশ এবং আন্দরমানিক রোডের মাথায় ফ্লাইওভারের নিচে বর্জ্যের স্তূপ জমে রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঈদের দিন থেকে পড়ে থাকা এসব বর্জ্য এখনো অপসারণ না করায় এলাকাজুড়ে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
চন্দ্রা বাজারের একাধিক ব্যক্তি জানান, ঈদের দিন কোরবানির পশুর চামড়া ও বর্জ্য মহাসড়কের পাশে ফেলে রাখা হলেও এখন পর্যন্ত তা সরানো হয়নি। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইজারাদারের সহকারী শাহজাহান মিয়া ঈদের দিন এসব চামড়া ও বর্জ্য মহাসড়কের পাশে জমা করেছিলেন।
এ বিষয়ে সফিপুর বাজারের ইজারাদার মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি বর্তমানে গ্রামের বাড়িতে আছি। বিষয়টি দেখছি এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব।”
কালিয়াকৈর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল আলম তালুকদার বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আগে অবগত ছিলাম না। এখন জানতে পেরেছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে এলাকাবাসী, পথচারী ও রোগীরা দ্রুত কোরবানির বর্জ্য অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।














