কোরবানির মাংস সংরক্ষণ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ; নারী-পুরুষসহ আহত অন্তত ৩০, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন
ভাঙ্গায় কোরবানির মাংস মসজিদে না মাতুব্বরের বাড়িতে— তর্কে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ৩০
- আপডেট সময় : ০৯:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬ ৭১ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর, ভাঙ্গা | ২৮ মে ২০২৬ : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আযহার দিনে কোরবানির মাংস কোথায় রাখা হবে— মসজিদে নাকি গ্রামের মাতুব্বরের বাড়িতে— এই বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে উপজেলার আলগা ইউনিয়নের পূর্ব আড়ুয়াকান্দী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের জামাত শেষে গ্রামবাসী সম্মিলিতভাবে কোরবানি সম্পন্ন করেন। পরে কোরবানির মাংস একত্র করে ভাগাভাগির প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় মাংস সাময়িকভাবে মসজিদে রাখা হবে নাকি গ্রাম্য মাতুব্বরের বাড়িতে নেয়া হবে— এ বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে তর্ক-বিতর্ক উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন আবু বকর মুন্সী এবং অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন কামরুজ্জামান সম্রাট।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা ব্যবহার করে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও গুরুতর আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, “কোরবানির মাংস কোথায় রাখা হবে তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উভয় পক্ষকে ডেকে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।














