ঈদুল আজহাকে ঘিরে শেষ হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ঢল, জমে উঠেছে গ্রামীণ অর্থনীতি
পীরগঞ্জের চতরা পশুর হাটে কোরবানির পশুর রেকর্ড বেচাকেনা, শেষ মুহূর্তে জমজমাট বাজার
- আপডেট সময় : ১১:২৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ১০১ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ১৪ নং চতরা পশুর হাটে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বেচাকেনা ব্যাপকভাবে জমে উঠেছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই হাটজুড়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে, ফলে হাটটি এখন উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই হাটে গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া আসতে শুরু করে। সকাল গড়াতেই ক্রেতাদের ঢল নামে হাটে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও আশপাশের উপজেলা থেকে বিক্রেতারা পশু নিয়ে আসেন, অন্যদিকে পরিবার-পরিজন নিয়ে পছন্দের কোরবানির পশু কিনতে ভিড় করেন অসংখ্য ক্রেতা।
হাট ঘুরে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে রাখা শত শত গবাদিপশুকে ঘিরে চলছে দরদাম ও বেচাকেনা। বিশেষ করে দেশি জাতের ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ ছিল বেশি। তুলনামূলক সাশ্রয়ী ও কোরবানির উপযোগী হওয়ায় এসব গরুর চাহিদাও ছিল তুঙ্গে।
ক্রেতারা জানান, বড় গরুর তুলনায় মাঝারি আকারের দেশি গরুর দাম কিছুটা বেশি হলেও মান ও সামর্থ্য বিবেচনায় তারা সন্তুষ্ট। দরদামের পর অনেকেই পছন্দের পশু কিনে খুশি মনে বাড়ি ফিরেছেন।
গরু বিক্রেতা মাসুদ মিয়া বলেন, “আমি দুটি গরু হাটে এনেছিলাম। আল্লাহর রহমতে দুটিই ভালো দামে বিক্রি হয়েছে। এবার ক্রেতার সংখ্যা বেশি থাকায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে।”
হাটের ইজারাদার জানান, চতরা পশুর হাট পীরগঞ্জের অন্যতম বড় ও নিরাপদ হাট হিসেবে পরিচিত। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার কারণে প্রতিবছর এখানে ব্যাপক বেচাকেনা হয়। ঈদুল আজহার আগে শেষ হাট হওয়ায় এবার পশুর আমদানিও ছিল উল্লেখযোগ্য।
তিনি আরও জানান, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।














