কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ ও সহায়তায় মাসে দুই টন জৈব সার উৎপাদন করছেন কৃষক শামীম
হরিরামপুরে ভার্মি কম্পোস্টে সফলতা: মাসে ৪০ হাজার টাকা আয় করছেন কৃষক শামীম
- আপডেট সময় : ০৫:৫৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ৬৮ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের মাধ্যমে সফলতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন কৃষক মোহাম্মদ শামীম। উপজেলা কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তায় তিনি এখন প্রতি মাসে প্রায় দুই টন ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছেন। এতে তার মাসিক আয় দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ৪০ হাজার টাকা।
জানা যায়, অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় হরিরামপুর উপজেলার বাল্লা ইউনিয়নের ইছাইল গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ শামীমকে কমিউনিটি বেইজড ভার্মি-কম্পোস্টের একটি প্রদর্শনী প্রদান করা হয়।
শুরুতে ভার্মি কম্পোস্ট সম্পর্কে তার তেমন কোনো ধারণা ছিল না। পরে উপজেলা কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তায় তিনি ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের আধুনিক কৌশল আয়ত্ত করেন। অতীতে তিনি রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। এতে উৎপাদন খরচ যেমন বেশি হতো, তেমনি জমির উর্বরতাও ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছিল।
পরবর্তীতে কৃষি অফিসের পরামর্শে তিনি কমিউনিটি বেইজড ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুরু করেন। বর্তমানে নিজের চাহিদা পূরণ করে অতিরিক্ত জৈব সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে বিক্রি করছেন। এতে একদিকে যেমন তার বাড়তি আয় হচ্ছে, অন্যদিকে এলাকার কৃষকরাও জৈব সার ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তিনি প্রতি মাসে প্রায় দুই টন ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করছেন। বাজারে যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা। তার এই উদ্যোগে পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং সামাজিক মর্যাদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, পরিবেশবান্ধব কৃষি ও মাটির উর্বরতা রক্ষায় ভার্মি কম্পোস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কৃষকদের জৈব সার ব্যবহারে উৎসাহিত করতে কৃষি বিভাগ নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করছে।














