উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে অনাবাদি জমিতে সবজি চাষ, বাড়ছে পুষ্টি ও বাড়তি আয়
হরিরামপুরে উঠান বৈঠকে বদলে যাচ্ছে পুষ্টি চিত্র, পারিবারিক পুষ্টি বাগানে স্বাবলম্বী পরিবার
- আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনাকে কাজে লাগিয়ে পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপনের মাধ্যমে বদলে যাচ্ছে স্থানীয় মানুষের পুষ্টি চিত্র।
উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আয়োজিত উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কৃষক ও কৃষাণীদের পুষ্টি সচেতনতা, নিরাপদ সবজি উৎপাদন এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে পুষ্টিবাগান তৈরির বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
“অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্প”-এর আওতায় আয়োজিত এসব উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সুস্থ বীজ, বিভিন্ন সবজির চারা, পুষ্টি প্লেট ও পুষ্টি কার্ড বিতরণ করা হয়। কৃষি কর্মকর্তারা পরিবারভিত্তিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে শাকসবজি চাষের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগে যেসব বসতবাড়ির আঙিনা ও পতিত জমি অনাবাদি পড়ে থাকত, এখন সেগুলো সবুজ শাকসবজির বাগানে পরিণত হয়েছে। এতে পরিবারের সদস্যরা নিজেদের উৎপাদিত নিরাপদ সবজি খেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে পারছেন।
এছাড়াও অতিরিক্ত উৎপাদিত সবজি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে অনেক পরিবার বাড়তি আয় করছে। ফলে একই সঙ্গে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতাও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উপকারভোগীরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি উঠান বৈঠকে পুষ্টি প্লেট ও পুষ্টি কার্ডের মাধ্যমে সুষম খাদ্য এবং পুষ্টির গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এ কার্যক্রমের ফলে উপজেলার মানুষের খাদ্যাভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে এবং নারী কৃষকদের অংশগ্রহণও বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, কৃষি বিভাগের এমন উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে অপুষ্টি দূরীকরণ ও পারিবারিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।














