চট্টগ্রাম ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিক্সসহ ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ ডবলমুরিং-হালিশহরে মাদক, চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানকে জেলা কংগ্রেসের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

লালমোহনে প্রশাসনিক নথি জোরপূর্বক নেওয়ার ঘটনায় তদন্তের দাবি

স্পিকারের নাম ভাঙিয়ে পিআইও অফিস থেকে টিআর-কাবিখা বরাদ্দ তালিকা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে

ভোলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ৭০ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহন উপজেলায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের নাম ভাঙিয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে টিআর (Test Relief) ও কাবিখা কর্মসূচির বরাদ্দ তালিকা জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে প্রশাসনিক মহলে উদ্বেগ ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সরেজমিনে পিআইও কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। কার্যালয়ে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথি এভাবে নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত এবং এতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পলাশ সমদ্দার জানান, পবিত্র মাহে রমজানের শেষদিকে বিএনপি সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের স্পিকারের নাম উল্লেখ করে কার্যালয়ে আসেন। তিনি চলমান টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দ তালিকা দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।

তিনি আরও জানান, তালিকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে স্পিকারের এপিএস পরিচয়ে একটি ফোন কলের মাধ্যমে তাকে তালিকা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে সেই নির্দেশের ভিত্তিতে তালিকা হস্তান্তর করা হয়।

তবে সরকারি বরাদ্দের তালিকা অন্য কারো কাছে দেওয়া প্রশাসনিক এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি সভাপতি মো. জাফর ইকবাল বলেন, “আমি উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে তালিকা চাইতেই পারি।” তবে তিনি বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সিফাত বিন সাদেক জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি বলেন, “অফিসে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে পরে জানাতে পারব।”

উল্লেখ্য, টিআর ও কাবিখা কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালিত হয়। এসব প্রকল্পের বরাদ্দ ও তালিকা সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সংরক্ষণ ও বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে এ ধরনের নথি সংগ্রহের ঘটনা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন তোলে। তারা দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

লালমোহনে প্রশাসনিক নথি জোরপূর্বক নেওয়ার ঘটনায় তদন্তের দাবি

স্পিকারের নাম ভাঙিয়ে পিআইও অফিস থেকে টিআর-কাবিখা বরাদ্দ তালিকা নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৪:১৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহন উপজেলায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের নাম ভাঙিয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে টিআর (Test Relief) ও কাবিখা কর্মসূচির বরাদ্দ তালিকা জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে প্রশাসনিক মহলে উদ্বেগ ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সরেজমিনে পিআইও কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। কার্যালয়ে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথি এভাবে নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত এবং এতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পলাশ সমদ্দার জানান, পবিত্র মাহে রমজানের শেষদিকে বিএনপি সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের স্পিকারের নাম উল্লেখ করে কার্যালয়ে আসেন। তিনি চলমান টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দ তালিকা দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।

তিনি আরও জানান, তালিকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে স্পিকারের এপিএস পরিচয়ে একটি ফোন কলের মাধ্যমে তাকে তালিকা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে সেই নির্দেশের ভিত্তিতে তালিকা হস্তান্তর করা হয়।

তবে সরকারি বরাদ্দের তালিকা অন্য কারো কাছে দেওয়া প্রশাসনিক এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি সভাপতি মো. জাফর ইকবাল বলেন, “আমি উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে তালিকা চাইতেই পারি।” তবে তিনি বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সিফাত বিন সাদেক জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি বলেন, “অফিসে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে পরে জানাতে পারব।”

উল্লেখ্য, টিআর ও কাবিখা কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালিত হয়। এসব প্রকল্পের বরাদ্দ ও তালিকা সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সংরক্ষণ ও বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে এ ধরনের নথি সংগ্রহের ঘটনা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন তোলে। তারা দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।