বাবার রাজনৈতিক ঐতিহ্য ধরে রেখে উন্নয়ন ও মানবিক রাজনীতির অঙ্গীকার নবনির্বাচিত এমপির
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে ৩৫ বছর পর বাবার আসন পুনরুদ্ধার, ধানের শীষে জয়ী ইয়াসের খান চৌধুরী
- আপডেট সময় : ০৬:২৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯৭ বার পড়া হয়েছে

হুমায়ুন কবির |
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে ৩৫ বছর পর আবারও বিএনপির ঘরে ফিরল ঐতিহ্যবাহী আসন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী।
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে ইয়াসের খান চৌধুরী পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান পেয়েছেন ৭০ হাজার ১৫২ ভোট। ফলে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর বাবার আসন পুনরুদ্ধার করলেন ইয়াসের খান চৌধুরী। ১৯৯১ সালে একই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তাঁর বাবা, সাবেক এমপি আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী।
তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি এবং স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেটের নির্বাচিত সদস্যও ছিলেন তিনি।
ইয়াসের খান চৌধুরী পেশাগত জীবনে একজন তথ্যপ্রযুক্তি বিজ্ঞানী। দীর্ঘদিন বিবিসি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক, লন্ডনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে দেশে ফিরে নান্দাইলের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতিতে সক্রিয়; চাচা খুররম খান চৌধুরী চারবারের সংসদ সদস্য ছিলেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে নিজেকে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ইয়াসের খান চৌধুরী। মনোনয়ন পাওয়ার পর ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে ভোটের মাঠে ব্যাপক প্রচারণা চালান তিনি।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “বাবার স্বপ্ন ছিল আমি যেন উন্নত ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের জন্য কাজ করি। বাবার মানবিক রাজনীতি কাছ থেকে দেখেছি। সাধারণ মানুষের জন্য তিনি নিজেকে যেভাবে বিলিয়ে দিতেন, সেই আদর্শ বাস্তবায়ন করাই এখন আমার লক্ষ্য।”
নান্দাইলবাসীর প্রত্যাশা, উন্নয়ন ও সুশাসনের ধারাবাহিকতায় নতুন নেতৃত্ব ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।














