গভীর রাতে দুই শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল ও খাবার বিতরণ
গভীর রাতে উত্তরা-টঙ্গীতে শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’
- আপডেট সময় : ০৫:৩৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

হাড়কাঁপানো শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। তীব্র শীতের এই সময়ে খোলা আকাশের নিচে থাকা দুস্থ, অসহায় ও পথশিশুদের মাঝে উষ্ণতা ছড়িয়ে দিতে গভীর রাতে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ‘সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’।
সংগঠনের উদ্যোগে রাজধানীর উত্তরা, আব্দুল্লাহপুর ও টঙ্গী এলাকার বিভিন্ন সড়কে দুই শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে উন্নতমানের কম্বল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়। গত ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) দিবাগত গভীর রাতে টঙ্গী রেলস্টেশন, স্টেশন রোড, টঙ্গী বাজার হয়ে উত্তরা আব্দুল্লাহপুর, হাউজ বিল্ডিং ও আজমপুর এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রকৃত অসহায়দের হাতে এসব শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়।
শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এ কে এম আজিজুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি কালিমুল্লাহ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. মহিবউল্ল্যাহ সোহেল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাহাদাত হোসেন কামাল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এম বিল্লাহ শিশিরসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
এছাড়া সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রোমান শেখ, জামাল হোসেন, হাসান আহমদ, সাংবাদিক আলামিন, সাংবাদিক পলাশ, মাহমুদসহ আরও অনেকে।
এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সভাপতি এ কে এম আজিজুল হক বলেন, “গণমাধ্যমকর্মীরা সমাজের দর্পণ। শুধু সংবাদ প্রকাশ নয়, বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই তীব্র শীতে পথচারী ও ছিন্নমূল মানুষগুলো খুব কষ্টে আছে। তাদের জন্য সামান্য সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিতেই আমাদের এই প্রয়াস। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
সিনিয়র সহ-সভাপতি কালিমুল্লাহ ইকবাল বলেন, “গভীর রাতে ফুটপাথ ও স্টেশনে শুয়ে থাকা মানুষগুলো পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে। বিশেষ করে পথশিশুদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। আজ আমরা দুই শতাধিক মানুষের মাঝে কম্বল ও খাবার বিতরণ করেছি। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে শীতে আর কোনো মানুষকে কষ্ট পেতে হবে না।”
হঠাৎ গভীর রাতে কম্বল ও খাবার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেক শীতার্ত মানুষ। টঙ্গী রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় থাকা ছিন্নমূল মানুষরা সংগঠনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। এলাকাবাসীর মতে, ‘সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’-এর এই মানবিক উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।














