বগুড়ায় দিনব্যাপী আয়োজন, অংশ নেন সাংবাদিক ও তাঁদের পরিবারের দুই শতাধিক সদস্য
আনন্দ-উচ্ছ্বাসে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের বার্ষিক পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৫:১৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন |
রাজশাহী ব্যুরোঃ
শীতের স্নিগ্ধ সকালে কুয়াশার চাদর ভেদ করে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী জেলা বগুড়ায় মিলিত হন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সদস্য ও তাঁদের পরিবার। পেশাগত ব্যস্ততা ভুলে সহকর্মী ও স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বগুড়ার জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র ‘মম ইন’ পার্কে অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের বার্ষিক পারিবারিক মিলনমেলা-২০২৬।
দিনব্যাপী এ আয়োজন ঘিরে পার্ক প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত। ১০২ সদস্যের এই সংগঠনের সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁদের স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা মিলনমেলায় অংশ নেন। শিশুদের জন্য ছিল বিভিন্ন রাইড ও বিনোদনের ব্যবস্থা, আর প্রবীণ ও তরুণ সদস্যরা মেতে ওঠেন প্রাণবন্ত আড্ডা ও স্মৃতিচারণে।
দুপুরে বনভোজনের পর বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা। বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জিং ও সময়সাপেক্ষ পেশা। প্রতিনিয়ত খবরের পেছনে ছুটতে গিয়ে পরিবার ও সহকর্মীদের সঙ্গে সময় কাটানো কঠিন হয়ে পড়ে। এ ধরনের মিলনমেলা সাংবাদিকদের মানসিক প্রশান্তি এনে দেয় এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক কাজী শাহেদ। তিনি বলেন, “রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কাঠামো ও সদস্যদের আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়। এখানে সবাই একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করেন, যা অন্য সংগঠনের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।”
প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের আয়োজন কেবল বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি পেশাগত বিভেদ দূর করে ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিক সমাজ গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
একটি সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাবই বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাধারণ সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন। পড়ন্ত বিকেলে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয় এই আনন্দঘন মিলনমেলা।
তবে ফেরার পথে সবার চোখেমুখে ছিল তৃপ্তির হাসি আর হৃদয়জুড়ে রয়ে যায় রঙিন স্মৃতির আবেশ।














