ফুলবাড়ীর খলিশাকোঠাল সীমান্তে বিএসএফের পাকা সড়ক নির্মাণ ঘিরে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক
কুড়িগ্রাম ফুলবাড়ী সীমান্তে রাতের আঁধারে বিএসএফের সড়ক নির্মাণ, বিজিবির বাধায় পতাকা বৈঠক
- আপডেট সময় : ০২:১৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জাকারিয়া হোসেন | কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার খলিশাকোঠাল সীমান্তে বাংলাদেশের অংশের কাছাকাছি এলাকায় রাতের আঁধারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নতুন পাকা সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিলে তাৎক্ষণিকভাবে বাধা দেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক মেইন পিলার নম্বর ৯৩৪-এর নিকটে বিষয়টি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে উভয় দেশের ছয়জন করে মোট ১২ জন সীমান্তরক্ষী সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন বালারহাট ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার আবু তাহের।
ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানাধীন মেঘ নারায়ণের কুঠি বিএসএফ ক্যাম্পের ইন্সপেক্টর দীপক কুমার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খলিশাকোঠাল সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ৯৩৪-এর ১ এস থেকে ১১ এস পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভারতের অভ্যন্তরে পুরোনো একটি সড়ক রয়েছে, যা সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ থেকে ১২০ গজ দূরত্বে অবস্থিত। ওই সড়কের পূর্ব পাশে নতুন করে পাকা সড়ক নির্মাণ শুরু করে বিএসএফ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরে বিএসএফ সদস্যদের উপস্থিতিতে রাতের বেলায় গোপনে সড়ক নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছিল। ইতোমধ্যে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার অংশে কাজ সম্পন্ন করা হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর বিজিবি একাধিকবার নির্মাণকাজ বন্ধের চেষ্টা করলেও তা উপেক্ষা করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল জব্বার জানান, রাতের আঁধারে নির্মাণকাজ চলতে থাকায় এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি টহল জোরদার করে এবং শেষ পর্যন্ত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বালারহাট ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আবু তাহের বৃহস্পতিবার বিকেলে জানান, সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবির নজরদারি ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে বিএসএফ সদস্যরা সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত কিছু সরঞ্জাম সরিয়ে নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।














