চট্টগ্রাম ০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ পটিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি, দুই প্রবাসীর ঘরে লুট: স্বর্ণ-নগদ টাকা ও সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ কচুয়ায় ২৫ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা

নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুরে গোপাই গ্রামের বাড়িতে ভোররাতে লাইলি বেগমকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় ছেলে সৌরভ হোসেন ও শাশুড়ি তফুরা বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

নোয়াখালীতে নারীকে গলাকেটে হত্যা, ছেলে ও শাশুড়ি গ্রেপ্তার

মু. অলি উল্লাহ ইয়াছিন, স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুরে লাইলি বেগম (৪৬) নামে এক নারীকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় তার ছেলে সৌরভ হোসেন (২৮) ও শাশুড়ি তফুরা বেগমকে (৭৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোর রাতে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের গোপাই গ্রামের আলী আজম মহুরী বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত লাইলি বেগম ওই গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। আলমগীর হোসেন স্থানীয়ভাবে গ্রাম পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহতের ছেলে সৌরভ হোসেন মাদকাসক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে লাইলি বেগমকে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাইলি বেগম ও তার ছেলে সৌরভ একই বসতঘরের পৃথক কক্ষে থাকতেন। শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে সৌরভ ঘুম থেকে উঠে তার মাকে শয়নকক্ষের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি তার দাদি তফুরা বেগমকে জানান।

তফুরা বেগম ঘরে গিয়ে লাইলি বেগমকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

পুলিশের সুরতহাল ও প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, লাইলি বেগমের গলার ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও জখমের চিহ্ন ছিল। এ ছাড়া তার বাম হাতের সামনের অংশ ও বাম হাঁটুতেও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

পরে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এ ঘটনায় প্রথমে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা নেয় পুলিশ। পরে তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের ছেলে সৌরভ হোসেন ও তফুরা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সুধারাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন বণিক জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রথমে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করা হয়েছিল। পরে তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের ছেলে সৌরভ হোসেন ও তার দাদি তফুরা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তার দুজনকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তবে লাইলি বেগম হত্যার প্রকৃত কারণ, হত্যায় কার কী ভূমিকা ছিল এবং ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রের বিষয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশ বলছে, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য আরও পরিষ্কার হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুরে গোপাই গ্রামের বাড়িতে ভোররাতে লাইলি বেগমকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় ছেলে সৌরভ হোসেন ও শাশুড়ি তফুরা বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

নোয়াখালীতে নারীকে গলাকেটে হত্যা, ছেলে ও শাশুড়ি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১০:৩০:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুরে লাইলি বেগম (৪৬) নামে এক নারীকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় তার ছেলে সৌরভ হোসেন (২৮) ও শাশুড়ি তফুরা বেগমকে (৭৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোর রাতে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের গোপাই গ্রামের আলী আজম মহুরী বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত লাইলি বেগম ওই গ্রামের আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। আলমগীর হোসেন স্থানীয়ভাবে গ্রাম পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহতের ছেলে সৌরভ হোসেন মাদকাসক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে লাইলি বেগমকে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাইলি বেগম ও তার ছেলে সৌরভ একই বসতঘরের পৃথক কক্ষে থাকতেন। শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে সৌরভ ঘুম থেকে উঠে তার মাকে শয়নকক্ষের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি তার দাদি তফুরা বেগমকে জানান।

তফুরা বেগম ঘরে গিয়ে লাইলি বেগমকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

পুলিশের সুরতহাল ও প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, লাইলি বেগমের গলার ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও জখমের চিহ্ন ছিল। এ ছাড়া তার বাম হাতের সামনের অংশ ও বাম হাঁটুতেও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

পরে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এ ঘটনায় প্রথমে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা নেয় পুলিশ। পরে তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের ছেলে সৌরভ হোসেন ও তফুরা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সুধারাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন বণিক জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রথমে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করা হয়েছিল। পরে তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের ছেলে সৌরভ হোসেন ও তার দাদি তফুরা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার বিকেলে গ্রেপ্তার দুজনকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তবে লাইলি বেগম হত্যার প্রকৃত কারণ, হত্যায় কার কী ভূমিকা ছিল এবং ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রের বিষয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশ বলছে, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য আরও পরিষ্কার হবে।