চট্টগ্রাম ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিক্সসহ ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ ডবলমুরিং-হালিশহরে মাদক, চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানকে জেলা কংগ্রেসের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ আহরণ শুরু হওয়ায় চার মৎস্য অবতরণ ঘাটে কর্মচাঞ্চল্য, স্বস্তি ফিরেছে জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে

দীর্ঘ বিরতির পর কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা শুরু, সরগরম মৎস্যঘাট

অনলাইন ডেস্ক, সারাদেশ৭১
  • আপডেট সময় : ০৫:১১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ ৩ মাস ১৫ দিনের অপেক্ষার অবসান হয়েছে। রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে আবারও শুরু হয়েছে মাছ আহরণ। নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলেরা হ্রদে মাছ শিকারে নামার পাশাপাশি বিভিন্ন মৎস্য অবতরণ ঘাটে আসতে শুরু করেছে আহরিত মাছ। এতে দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা মৎস্য ব্যবসাকেন্দ্রগুলোতে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য।

সোমবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার, মাছ পরিবহন, সরবরাহ ও বাজারজাতকরণের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। এরপর ভোর থেকেই মাছ ধরার নৌকা নিয়ে হ্রদের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েন জেলেরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকে রাঙামাটির চারটি মৎস্য অবতরণ ঘাটে মাছ আসতে শুরু করে। মাছের সরবরাহ চালু হওয়ায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জেলার বরফকলগুলোও খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে জেলে, মাছ ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পরিবহন সংশ্লিষ্ট এবং মৎস্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য মানুষের মধ্যে নতুন করে কর্মব্যস্ততা দেখা দিয়েছে।

কাপ্তাই হ্রদের মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময় মাছ আহরণ বন্ধ রাখা হয়। একই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর ২৪ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে হ্রদে মাছ ধরা বন্ধ করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য ছিল কার্পজাতীয় মাছের প্রজননের সুযোগ তৈরি, প্রাকৃতিকভাবে পোনা মাছের বৃদ্ধি নিশ্চিত করা এবং হ্রদের সামগ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ১০ আগস্ট মধ্যরাত থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

দীর্ঘ সময় মাছ আহরণ বন্ধ থাকায় হ্রদের মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিনেই মৎস্য অবতরণ ঘাটগুলোতে মাছের সরবরাহ শুরু হলেও বেশির ভাগ মাছের আকার তুলনামূলক ছোট বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তবে কয়েক দিন মাছ আহরণ অব্যাহত থাকলে বড় আকারের মাছও পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

রাঙামাটি মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল শুক্কুর বলেন, দীর্ঘ বিরতির পর মাছ ধরা শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ী ও জেলেদের মধ্যে আনন্দ ফিরে এসেছে। শুরুতে মাছের আকার কিছুটা ছোট হলেও সামনে পরিস্থিতি আরও ভালো হওয়ার আশা রয়েছে। বড় মাছের সরবরাহ বাড়লে ব্যবসায়ীরাও লাভবান হবেন।

রাঙামাটি বিএফডিসির ব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিনেই বিএফডিসির অবতরণ ঘাটে প্রচুর মাছ এসেছে। প্রথম দিকে মাছের আকার কিছুটা ছোট হলেও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বড় মাছ পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

কাপ্তাই হ্রদের মৎস্যসম্পদ শুধু স্থানীয় জেলেদের জীবিকার উৎস নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাঙামাটির বিস্তৃত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। মাছ আহরণ থেকে শুরু করে পরিবহন, বরফ উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা বিক্রি—বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেন বিপুলসংখ্যক মানুষ।

মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলাকালে এসব কর্মকাণ্ডে স্বাভাবিকভাবেই স্থবিরতা তৈরি হয়। এখন আবার মাছ আহরণ শুরু হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে আয়-রোজগার বাড়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

কাপ্তাই হ্রদের মৎস্যসম্পদ দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ ও উৎপাদন বাড়াতে প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ বন্ধ রাখাকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্দিষ্ট সময় মাছ ধরা বন্ধ রাখার ফলে ছোট মাছ ও পোনা মাছ বেড়ে ওঠার সুযোগ পায় এবং প্রাকৃতিকভাবে মাছের বংশবিস্তারও সম্ভব হয়।

তবে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পরও হ্রদের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নির্ধারিত নিয়ম মেনে মাছ আহরণ এবং অবৈধ জাল ও ক্ষতিকর পদ্ধতির ব্যবহার বন্ধ রাখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দীর্ঘ বিরতির পর কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু হওয়ায় একদিকে যেমন জেলেদের জীবিকায় গতি ফিরেছে, অন্যদিকে রাঙামাটির মৎস্য ব্যবসাকেন্দ্রগুলোতেও দেখা দিয়েছে নতুন কর্মচাঞ্চল্য। এখন সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রজনন মৌসুমের সংরক্ষণ কার্যক্রমের সুফলে আগামী দিনে হ্রদে মাছের উৎপাদন আরও বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ আহরণ শুরু হওয়ায় চার মৎস্য অবতরণ ঘাটে কর্মচাঞ্চল্য, স্বস্তি ফিরেছে জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে

দীর্ঘ বিরতির পর কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা শুরু, সরগরম মৎস্যঘাট

আপডেট সময় : ০৫:১১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘ ৩ মাস ১৫ দিনের অপেক্ষার অবসান হয়েছে। রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে আবারও শুরু হয়েছে মাছ আহরণ। নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলেরা হ্রদে মাছ শিকারে নামার পাশাপাশি বিভিন্ন মৎস্য অবতরণ ঘাটে আসতে শুরু করেছে আহরিত মাছ। এতে দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা মৎস্য ব্যবসাকেন্দ্রগুলোতে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য।

সোমবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার, মাছ পরিবহন, সরবরাহ ও বাজারজাতকরণের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। এরপর ভোর থেকেই মাছ ধরার নৌকা নিয়ে হ্রদের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েন জেলেরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকে রাঙামাটির চারটি মৎস্য অবতরণ ঘাটে মাছ আসতে শুরু করে। মাছের সরবরাহ চালু হওয়ায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জেলার বরফকলগুলোও খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে জেলে, মাছ ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পরিবহন সংশ্লিষ্ট এবং মৎস্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য মানুষের মধ্যে নতুন করে কর্মব্যস্ততা দেখা দিয়েছে।

কাপ্তাই হ্রদের মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময় মাছ আহরণ বন্ধ রাখা হয়। একই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর ২৪ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে হ্রদে মাছ ধরা বন্ধ করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য ছিল কার্পজাতীয় মাছের প্রজননের সুযোগ তৈরি, প্রাকৃতিকভাবে পোনা মাছের বৃদ্ধি নিশ্চিত করা এবং হ্রদের সামগ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ১০ আগস্ট মধ্যরাত থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

দীর্ঘ সময় মাছ আহরণ বন্ধ থাকায় হ্রদের মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিনেই মৎস্য অবতরণ ঘাটগুলোতে মাছের সরবরাহ শুরু হলেও বেশির ভাগ মাছের আকার তুলনামূলক ছোট বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। তবে কয়েক দিন মাছ আহরণ অব্যাহত থাকলে বড় আকারের মাছও পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

রাঙামাটি মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল শুক্কুর বলেন, দীর্ঘ বিরতির পর মাছ ধরা শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ী ও জেলেদের মধ্যে আনন্দ ফিরে এসেছে। শুরুতে মাছের আকার কিছুটা ছোট হলেও সামনে পরিস্থিতি আরও ভালো হওয়ার আশা রয়েছে। বড় মাছের সরবরাহ বাড়লে ব্যবসায়ীরাও লাভবান হবেন।

রাঙামাটি বিএফডিসির ব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিনেই বিএফডিসির অবতরণ ঘাটে প্রচুর মাছ এসেছে। প্রথম দিকে মাছের আকার কিছুটা ছোট হলেও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বড় মাছ পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

কাপ্তাই হ্রদের মৎস্যসম্পদ শুধু স্থানীয় জেলেদের জীবিকার উৎস নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাঙামাটির বিস্তৃত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। মাছ আহরণ থেকে শুরু করে পরিবহন, বরফ উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা বিক্রি—বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেন বিপুলসংখ্যক মানুষ।

মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলাকালে এসব কর্মকাণ্ডে স্বাভাবিকভাবেই স্থবিরতা তৈরি হয়। এখন আবার মাছ আহরণ শুরু হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে আয়-রোজগার বাড়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

কাপ্তাই হ্রদের মৎস্যসম্পদ দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ ও উৎপাদন বাড়াতে প্রজনন মৌসুমে মাছ আহরণ বন্ধ রাখাকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্দিষ্ট সময় মাছ ধরা বন্ধ রাখার ফলে ছোট মাছ ও পোনা মাছ বেড়ে ওঠার সুযোগ পায় এবং প্রাকৃতিকভাবে মাছের বংশবিস্তারও সম্ভব হয়।

তবে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পরও হ্রদের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নির্ধারিত নিয়ম মেনে মাছ আহরণ এবং অবৈধ জাল ও ক্ষতিকর পদ্ধতির ব্যবহার বন্ধ রাখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দীর্ঘ বিরতির পর কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ শুরু হওয়ায় একদিকে যেমন জেলেদের জীবিকায় গতি ফিরেছে, অন্যদিকে রাঙামাটির মৎস্য ব্যবসাকেন্দ্রগুলোতেও দেখা দিয়েছে নতুন কর্মচাঞ্চল্য। এখন সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রজনন মৌসুমের সংরক্ষণ কার্যক্রমের সুফলে আগামী দিনে হ্রদে মাছের উৎপাদন আরও বাড়বে।