কচুয়া সিটি হাসপাতালের দোতলায় চিকিৎসকের কক্ষে অভিযান; ৪ পিস ইয়াবা ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধারের দাবি, থানায় মামলা
হাসপাতালের কক্ষে ইয়াবা! গ্রেপ্তার চিকিৎসক
- আপডেট সময় : ১২:০৫:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুরের কচুয়া সিটি হাসপাতালের একটি কক্ষে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে চিকিৎসক সৈয়দ আসিফ ইস্পাহানিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁদপুর জেলা কার্যালয়। অভিযানের সময় তাঁর কক্ষ থেকে ৪ পিস ইয়াবা, ফয়েল ও মাদক সেবনের কাজে ব্যবহৃত পাইপ উদ্ধারের দাবি করেছে সংস্থাটি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে কচুয়া সিটি হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে হাসপাতালের দোতলায় চিকিৎসক সৈয়দ আসিফ ইস্পাহানির কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ওই কক্ষ থেকে ৪ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের সরঞ্জাম হিসেবে ফয়েল ও পাইপ উদ্ধারের কথা জানায় অভিযানকারী দল।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে চিকিৎসক আসিফ মাদক সেবনের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। পরে তাঁকে কচুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
কচুয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসাসেবা ও অস্ত্রোপচারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ ওঠায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালটির মালিকপক্ষকেও বিষয়টি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত করা হবে। একই সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি।
চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযান নতুন নয়। চলতি বছর কচুয়াসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় একাধিক অভিযান ও গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশিত হয়েছে।
আইনগত অবস্থান: এই প্রতিবেদনে চিকিৎসক সৈয়দ আসিফ ইস্পাহানির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।














