কুড়িগ্রাম শহরে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে কলেজ মোড় পর্যন্ত মিছিল; সমাবেশে সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা ও রাজনৈতিক দাবি তুলে ধরেন নেতারা
কুড়িগ্রামে জুলাই গণমিছিল: গণভোটের গণরায় কার্যকর ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের সমাবেশ
- আপডেট সময় : ১১:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম | ১ আগস্ট ২০২৬: গণভোটের গণরায় কার্যকর এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কুড়িগ্রামে জুলাই গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখা।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৫টায় জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন। মিছিলটি কুড়িগ্রাম আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা আমীর অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান সরকার স্বপন, জেলা সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কুড়িগ্রাম জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়াছিন আলী সরকারসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা গণভোটের গণরায় কার্যকর, জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন এবং প্ল্যাকার্ড বহন করেন।
সমাবেশে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়াছিন আলী সরকার বলেন, “জুলাই ছাত্র আন্দোলন ও জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা যদি জুলাই সনদের বাস্তবায়ন না করে, তাহলে ইতিহাস তাদেরও কঠিনভাবে মূল্যায়ন করবে।”
জেলা সেক্রেটারি নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, “জনগণকে ধোঁকা দিয়ে রাজনীতি করার সময় শেষ হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে সবসময় সোচ্চার ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।”
সমাপনী বক্তব্যে জেলা আমীর অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান সরকার স্বপন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, “জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে জনগণ আবারও রাজপথে নামবে। গণতান্ত্রিক অধিকার ও জনগণের দাবিকে উপেক্ষা করা হলে তার রাজনৈতিক পরিণতি হবে।”
তিনি আরও বলেন, সংসদসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান পরিস্থিতির পরিবর্তনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে তাদের দল মনে করে।
উল্লেখ্য, সমাবেশে বক্তারা সরকারের বিভিন্ন নীতি ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন এবং তাদের রাজনৈতিক দাবিগুলো তুলে ধরেন। তবে এসব বক্তব্য সংশ্লিষ্ট বক্তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক মতামত।














