এলজিইডির প্রকল্পের আওতায় চীনা প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরেজমিন পরিদর্শন; উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রত্যাশায় এলাকাবাসী
ঠাকুরগাঁওয়ে গড়েয়া-শুখানপুকুরী সড়ক প্রশস্তকরণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের আশায় স্থানীয়রা
- আপডেট সময় : ০৮:৫৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁও | ২৭ জুলাই ২০২৬: ঠাকুরগাঁও জেলার শুখানপুকুরী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ গড়েয়া-শুখানপুকুরী সড়ক প্রশস্তকরণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন চীনা নাগরিক প্রতিনিধি, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তারা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুমন রানা মান্নান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সোমবার (২৭ জুলাই) এলজিইডির চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সরেজমিনে এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গড়েয়া থেকে ঝাঠিভাঙ্গা এবং পানিয়া ঘাট থেকে নতুন পাঁচপীর সুইচ গেট পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণের সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিদর্শনকালে সড়কগুলোর বর্তমান অবস্থা, যান চলাচলের সক্ষমতা, প্রয়োজনীয় প্রশস্ততা, ভূমির অবস্থা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্য বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি নিরসনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে গড়েয়া-শুখানপুকুরী সড়ক এবং সংযুক্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রশস্ত ও আধুনিকায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
বর্ষাকালে কাঁচা ও সংকীর্ণ অংশে চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। সড়কগুলো উন্নয়ন করা হলে যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও সময় সাশ্রয়ী হবে।
এলাকাবাসীর মতে, সড়ক প্রশস্তকরণ বাস্তবায়িত হলে কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করা সহজ হবে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক গতি আসবে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করে বলেন, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। এতে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি শুখানপুকুরী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।
এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করবে, যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো আধুনিক ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থায় রূপ নেয়।














