গোপালগঞ্জে আলোচনা সভা, চারা বিতরণ, শোভাযাত্রা ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন
গোপালগঞ্জে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উদ্বোধন, পরিবেশ রক্ষায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের আহ্বান
- আপডেট সময় : ০৮:৫৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে

“বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা, চারা বিতরণ এবং বৃক্ষমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্বচ্ছতা সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ, গোপালগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এবং সামাজিক বন বিভাগ, ফরিদপুরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং একটি সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে রোপিত গাছের যথাযথ পরিচর্যার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। তারা সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর বলেন, দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে আরও বেগবান করতে হবে। তিনি সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন।।
পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে অবস্থিত বৃক্ষমেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর, জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান, পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলামসহ অন্যান্য অতিথি আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর উদ্বোধন করেন।
আয়োজকরা জানান, বৃক্ষমেলায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি নার্সারির স্টলে ফলজ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছের চারা প্রদর্শন ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের আগ্রহ বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা তৈরিই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।














