জাতিসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ নারী কূটনীতিক
জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশি নারী কূটনীতিক রাবাব ফাতিমার নতুন যাত্রা
- আপডেট সময় : ১১:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৬২ বার পড়া হয়েছে

আফগানিস্তানে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্বে নিয়োগ পেলেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ কূটনীতিক রাবাব ফাতিমা। তাকে জাতিসংঘের সহায়তা মিশন ইন আফগানিস্তান (UNAMA)-এর প্রধান এবং আফগানিস্তানবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
জাতিসংঘের মুখপাত্রের দপ্তরের এক বিবৃতিতে বুধবার (১৫ জুলাই) এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। রাবাব ফাতিমা এ দায়িত্বে কিরগিজস্তানের রোজা ওতুনবায়েভার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস রোজা ওতুনবায়েভার দায়িত্ব পালন ও অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি UNAMA-এর উপপ্রধান ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা কানাডার জর্জেট গ্যানিয়নের প্রতিও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
রাবাব ফাতিমা বর্তমানে জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এবং স্বল্পোন্নত দেশ, স্থলবেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশ ও ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাবাব ফাতিমার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রশাসনে ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার দীর্ঘ কর্মজীবনে কূটনীতি, আন্তর্জাতিক নীতি প্রণয়ন, উন্নয়ন সহযোগিতা, মানবিক কার্যক্রম এবং বহুপক্ষীয় সম্পর্ক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি ইউনিসেফ ও ইউএন উইমেনের নির্বাহী বোর্ডের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
২০২২ সালে তিনি জাতিসংঘের শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিশনের (Peacebuilding Commission) প্রথম নারী চেয়ার নির্বাচিত হন। এছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে তিনি সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী রাবাব ফাতিমার নতুন এই দায়িত্বকে দেশের কূটনৈতিক সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠা, মানবিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক সমন্বয় বাড়াতে তার অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।














