সরকারি স্টিকার ব্যবহার করে সন্দেহ এড়ানোর চেষ্টা, ডিএনসির অভিযানে উদ্ধার ৬ হাজার ইয়াবা ও গ্রেপ্তার ৩
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেট কারে ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, রামুতে দুই নারীসহ ৩ জন গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০৯:৫১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের রামুতে মাদকবিরোধী অভিযানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেট কার থেকে ৬ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ ঘটনায় দুই নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামু উপজেলার রাবার বাগান এলাকায় ডিএনসির স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সাব্বির হোসেন (৩৬), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সিমা ইসলাম (২২) এবং ঢাকার দারুসসালাম এলাকার উর্মি আক্তার ঊষা (১৯)।
ডিএনসির কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মণ্ডল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পর্যটকের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারের তথ্য পেয়ে রামুর রাবার বাগান এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। পরে ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৪-৮১১১ নম্বরের একটি সাদা টয়োটা প্রাইভেট কার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশির একপর্যায়ে গাড়ির ভেতরে বিশেষ কৌশলে স্কচটেপ ও টিস্যু পেপারে মোড়ানো তিনটি পোটলা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি পোটলায় ১০টি করে জিপার লক পলিপ্যাকেট ছিল এবং প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে মোট ৬ হাজার অ্যামফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
অভিযানে আসামিদের কাছ থেকে চারটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া গাড়িটির উইন্ডশিল্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মিরপুর ডিওএইচএসের স্টিকার লাগানো ছিল। গাড়ির ফিটনেস সনদ ও ট্যাক্স টোকেনও জব্দ করা হয়েছে।
ডিএনসির উপপরিচালক সোমেন মণ্ডল বলেন, মাদক পাচারকারীরা বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্টিকার ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাদের কৌশল ব্যর্থ হয়েছে।
এ ঘটনায় ডিএনসির পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
ডিএনসির দাবি, পর্যটনের আড়ালে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কক্সবাজারে এসে ইয়াবা সংগ্রহ করে পাচারের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক চক্র ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল বহর ও বিভিন্ন পরিচয়ের আড়ালে মাদক পরিবহন করছে। এসব চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।














