চট্টগ্রাম ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিঃ
বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় আধুনিক সকল ফিচার যুক্ত  জাতীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং মাল্টিমিডিয়া দৈনিক সারাদেশ ৭১  নিউজ পোর্টালে আপনাকে স্বাগতম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধনের আবেদনের  জন্য অপেক্ষমান দেশের অন্যতম প্রথম সারির অনলাইন পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার জন্য সংবাদদাতা আবশ্যক, বিশেষ সংবাদদাতা (৪),  ক্রাইম রিপোর্টার (৫), স্টাফ রিপোর্টার (১০), বিভাগীয় ব্যুরো (৩) উপজেলা প্রতিনিধি (১০), বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি (৪),  মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার (সকল জেলা ও উপজেলার জন্য) (১০) ইউনিয়ন প্রতিনিধি (৫)  আবেদনের জন্য সিভি, জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদন পাঠাবেন saradesh71@gmail.com এই মেইলে।
সংবাদ শিরোনামঃ
বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিক্সসহ ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ ডবলমুরিং-হালিশহরে মাদক, চাঁদাবাজি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থা চেয়ে আবেদন রংপুরের নতুন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানকে জেলা কংগ্রেসের ফুলেল শুভেচ্ছা রাণীশংকৈলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, পতাকা উত্তোলন ও বৃক্ষরোপণ দামুড়হুদায় মটর চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু চুয়াডাঙ্গায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হরিরামপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতীবান্ধা-পাটগ্রামে বিজিবির পৃথক অভিযান, উদ্ধার ভারতীয় পণ্য নজরুল বর্ষ ঘিরে পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিদ্রোহী কবির চেতনায় উখিয়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

ছাদ-দেয়ালে বড় ফাটল, বৃষ্টিতে শ্রেণিকক্ষে পানি; দ্রুত নতুন ভবনের দাবিতে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের আবেদন

ছাদে ফাটল, দেয়ালে ঝুঁকি—তবুও বন্ধ হয়নি ক্লাস নেছারাবাদের এ কে ইনস্টিটিউটে

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ ইব্রাহিম হাওলাদার
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
সারাদেশ ৭১ নিউজ – নির্ভরযোগ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ৬ নম্বর দৈহারী ইউনিয়নের এ কে ইনস্টিটিউট মাধ্যমিক খালেক বিদ্যালয় এখন চরম ঝুঁকির মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রায় তিন দশক আগে নির্মিত বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনটি বর্তমানে এতটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে যে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভাষায় এটি এখন একটি “মৃত্যুফাঁদ”।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও ছাদে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পলেস্তারা খসে পড়েছে। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি শ্রেণিকক্ষের ভেতরে প্রবেশ করায় স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যেই ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, “ভবনটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। প্রতিদিন ভয় নিয়ে ক্লাস নিতে হয়। বৃষ্টি হলেই কক্ষের ভেতরে পানি পড়ে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অনেক সময় পাশের টিনশেড কক্ষে পাঠদান করতে হচ্ছে। কিন্তু সেটিও পর্যাপ্ত নয়।”

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানায়, ভবনের ছাদ কিংবা দেয়াল ধসে পড়ার আশঙ্কায় তারা সবসময় আতঙ্কে থাকে। অনেকেই বলেন, নিরাপদ পরিবেশ ছাড়া পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে ভবনটির বড় ধরনের কোনো সংস্কার হয়নি। বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত নতুন ভবন নির্মাণ কিংবা ঝুঁকি নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনো প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ফলে সীমিত সুযোগ-সুবিধা নিয়েই শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

অভিভাবকদের দাবি, কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে জরুরি ভিত্তিতে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। একই দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরাও।

শিক্ষার্থীরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আবেদন জানিয়ে বলেন, “আমরা নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনা করতে চাই। নতুন ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করা হলে আমরা নিশ্চিন্তে বিদ্যালয়ে যেতে পারব।”

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ছাদ-দেয়ালে বড় ফাটল, বৃষ্টিতে শ্রেণিকক্ষে পানি; দ্রুত নতুন ভবনের দাবিতে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের আবেদন

ছাদে ফাটল, দেয়ালে ঝুঁকি—তবুও বন্ধ হয়নি ক্লাস নেছারাবাদের এ কে ইনস্টিটিউটে

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ৬ নম্বর দৈহারী ইউনিয়নের এ কে ইনস্টিটিউট মাধ্যমিক খালেক বিদ্যালয় এখন চরম ঝুঁকির মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রায় তিন দশক আগে নির্মিত বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনটি বর্তমানে এতটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে যে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভাষায় এটি এখন একটি “মৃত্যুফাঁদ”।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও ছাদে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও পলেস্তারা খসে পড়েছে। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি শ্রেণিকক্ষের ভেতরে প্রবেশ করায় স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যেই ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, “ভবনটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। প্রতিদিন ভয় নিয়ে ক্লাস নিতে হয়। বৃষ্টি হলেই কক্ষের ভেতরে পানি পড়ে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অনেক সময় পাশের টিনশেড কক্ষে পাঠদান করতে হচ্ছে। কিন্তু সেটিও পর্যাপ্ত নয়।”

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানায়, ভবনের ছাদ কিংবা দেয়াল ধসে পড়ার আশঙ্কায় তারা সবসময় আতঙ্কে থাকে। অনেকেই বলেন, নিরাপদ পরিবেশ ছাড়া পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে ভবনটির বড় ধরনের কোনো সংস্কার হয়নি। বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত নতুন ভবন নির্মাণ কিংবা ঝুঁকি নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনো প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ফলে সীমিত সুযোগ-সুবিধা নিয়েই শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

অভিভাবকদের দাবি, কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে জরুরি ভিত্তিতে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। একই দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরাও।

শিক্ষার্থীরা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আবেদন জানিয়ে বলেন, “আমরা নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনা করতে চাই। নতুন ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করা হলে আমরা নিশ্চিন্তে বিদ্যালয়ে যেতে পারব।”

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।